Monday, April 27, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরউম্মাহ খবরফ্যাসিস্ট হাসিনা‌-দাঙ্গাবাজ মোদির বুকে কাঁপন ধরালো যে ৩ ছবি

ফ্যাসিস্ট হাসিনা‌-দাঙ্গাবাজ মোদির বুকে কাঁপন ধরালো যে ৩ ছবি

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট হাসিনার ষড়যন্ত্র ও নরেন্দ্র মোদির আগ্রাসন রুখে দিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ডাকে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে গোটা দেশ। সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন এক পতাকার নিচে সমবেত হয়ে বাংলাদেশ-বিরোধী ‘আওয়ামী প্রভু শক্তি’কে দেয়া হলো এক কঠোর বার্তা।

https://reachableads-av.s3.ap-southeast-1.amazonaws.com/inqilab_tag/index.html

দেশে গণহত্যা পরিচালনা করে ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যায় হাসিনা। বিশ্বের বহু দেশ একজন নৃশংস খুনিকে আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানালেও তাকে চাকরানীর মত করে আগলে রাখে দাঙ্গাবাজ মোদি সরকার। শুধু আশ্রয়ই নয়, হাসিনাকে সাথে নিয়ে ভারত একের পর এক ষড়যন্ত্র করছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ আঘাত হানে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর।

এমনই এক গুরুতর মুহুর্তে হিন্দুত্ববাদী ভারতের আগ্রাসন, ষড়যন্ত্র, সংখ্যালঘু নির্যাতনের কাল্পকাহিনী বানিয়ে অপপ্রচার, দিল্লিতে আশ্রিত খুনি হাসিনার অপতৎপরতা রুখে দিতে সব মত-পথের রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে ড. ইউনূসের পাশে থাকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছে। এখন থেকে দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো আঘাত এলে দল-মত নির্বিশেষে সব দল কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিহত করবে। এর ফলে বরাবরের মতো সংখ্যালঘু কার্ড খেলে ক্ষমতায় ফিরে আসার দুঃস্বপ্ন ম্লান হলো পতিত স্বৈরাচারের।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের সব ধরনের ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাব রুখে দিতে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেন। তার ডাকে সাড়া দিয়েছে দেশের সব রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় নেতা ও শিক্ষার্থীরা। এমনকি হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারাও ভারতের অপপ্রচার রুখে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

গত মঙ্গলবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, জাতীয় নাগরিক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন। বুধবার বৈঠক করেন বিএনপি, জামায়াত, কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে। গতকাল বৃহস্পতিবার ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।

দলমত ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে এক পতাকা তলে হাজির হওয়ার তিনটি ছবি ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ছবিগুলো শেয়ার করে পতিত স্বৈরাচার ও তাদের বিদেশি প্রভুদের কড়া বার্তা দিয়েছেন নেটিজেনরা। বলছেন, গোটা জাতি যখন ঐক্যবদ্ধ তখন আন্তর্জাতিকভাবে ষড়যন্ত্র করেও কোন লাভ হবে না। দেশবিরোধী আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও আগ্রাসী ভারতের কোন ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না। সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত আসলে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিহত করবে।

এর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের সকল ছাত্র সংগঠনের নেতারা এক মঞ্চে হাতে হাত রেখে দেশের পক্ষে ঐক্যের ডাক এবং ঐক্যবদ্ধভাবে ভারতীয় ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই ছবিটিও ভাইরাল হয় নেট দুনিয়ায়।

ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে এক পতাকার নিচে আবদ্ধ হওয়ার একটি ঐতিহাসিক ছবি সাংবাদিক মাজহার মাহবুব ফেসবুকে শেয়ার করে লিখেছেন, বাংলাদেশের দিকে যখন ভারত তার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্রের থাবা হাঁকিয়েছে, তখনই দেশের রাজনীতিতে নিকট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঐক্যের ডাক। যদি বাস্তবায়ন হয়, বাংলাদেশে না থাকবে কোনো অশান্তি, না থাকবে ভারতীয় আগ্রাসন ইনশাআল্লাহ। পতিত স্বৈরাচারের দল ও দালালরাই আজ সংখ্যালঘু। হুমকি বা হামলা ভাংচুর না চালিয়েও যে জাতীয়ভাবে জবাব দেওয়া যায়, তার উদাহরণ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।

মোহাম্মদ ইরফানুল লিখেছেন, আওয়ামী লীগ কখনো দেশেরও জাতির জন্য রাজনৈতিক করে নাই তাদের সার্থের জন্য রাজনীতি করেছে।এখন ভারতের পক্ষ হয়ে এইদেশের বিপক্ষে তারা রাজনীতি করতেছে। এইদেশের বিরুদ্ধে জনগণের বিরুদ্ধে তারা দেশের বাহিরে বসে ষড়যন্ত্র চক্রান্ত সৃষ্টি করতেছে। ইনশাআল্লাহ দেশের মানুষ এক হয়েছে ভারত ও আওয়ামী লীগ এইদেশের কিছু করতে পারবে না। আর আওয়ামী লীগ এর নেতাকর্মীদের বুঝা উচিত বাপ আর ভারতের কথা ছাড়া হাসিনা মুখে কখনো দেশের মানুষের প্রতি কোন ভালোবাসা সম্মান কিছু নাই সেটা তাঁদের বুঝতে হবে। বুঝতে পারবে যদি তার নেতাকর্মীদের প্রতি ভালোবাসা থাকতো বার বার পালিয়ে যাওয়া ইতিহাস থাকতো না। আর ডিজিটাল যুগে কেউকে না জানিয়ে নেতাকর্মী মাঠে নামিয়ে দিয়ে সে পালিয়ে গেলো ভারতে। এইদল থেকে আপনারা বের হয়ে আসুন।

এস এম রাকিব হাসান লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। আজ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন।ভারতীয় আগ্রাসন ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহৎ জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ দেশের সকল ছাত্র সংগঠনের নেতারা এক মঞ্চে হাতে হাত রেখে দেশের পক্ষে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন।

পাশাপাশি ইউনুস স্যারের ডাকে সারা দিয়ে দেশের সব রাজনৈতিক দল আজকে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ও দেশের পক্ষে একাত্মতা ঘোষণা করেছে। এমন দেশই আমরা চেয়েছিলাম। ইনশাআল্লাহ পথ হারাবে না বাংলাদেশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

five + thirteen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য