Saturday, July 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরবন্যায় ভেসে গেছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোলাবারুদ, চাপা পড়েছে তিস্তার পলিতে!

বন্যায় ভেসে গেছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোলাবারুদ, চাপা পড়েছে তিস্তার পলিতে!

সাম্প্রতিক আকস্মিক বন্যায় ভারতের সিকিম রাজ্যে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে। এর জের ধরে তিস্তার পলির নীচে আটকে রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোলাবারুদ। আর সেই আতঙ্ক ক্রমেই চেপে বসছে। এর জেরে সিকিমে বিপর্যয় মোকাবিলা ও পুনর্গঠনের কাজও ব্যহত হচ্ছে বলে খবর। গত ৪ অক্টোবর তিস্তায় ভয়াবহ হড়পা বানে উত্তর সিকিমের বিস্তীর্ণ এলাকা বিপর্যস্ত হয়েছিল। এরপর বেশ কিছুদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু তারপরও এখনো বিস্ফোরকের নয়া আতঙ্ক রয়ে গেছে।

এবার অন্যতম বড় উদ্বেগ হলো পলির নিচে চাপা পড়ে যাওয়া বিস্ফোরক। সেগুলোকে চিহ্নিত করাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। অতিরিক্ত টিম, স্নিফার ডগ দিয়ে সেই বিস্ফোরকগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সিকিম রাজ্য বিপর্যয় মোকাবেলা দফতরের এক কর্মকর্তার কথায়, পলির নিচে বিস্ফোরক লুকিয়ে থাকতে পারে। তার জেরে উন্নয়নের কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। এটা একটা বড় উদ্বেগের বিষয়।

সূত্রের খবর, উত্তর সিকিমের সেনা ছাউনি তিস্তার হড়পা বানে ভেসে যায়। এরপর বিস্ফোরক, অস্ত্র, সব ভেসে যায় তিস্তায়। সেগুলো তিস্তার নিম্ন প্রবাহে নেমে আসতে থাকে। জলপাইগুড়িতেও তিস্তাতে নেমে আসে সেই বিস্ফোরক। তবে পলির নিচে সম্ভবত এখনো কিছু বিস্ফোরক চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে খবর।

গোটা ঘটনাটি সিকিমের মুখ্যসচিব ভিবি পাঠক কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সেক্রেটারিকে একটি ভার্চুয়াল মিটিংয়ে জানিয়েছেন। বিভিন্ন জায়গায় পলির নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে এই অস্ত্র ও বিস্ফোরক।

এদিকে হিন্দুস্তান টাইমসে আগেই সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার এনিয়ে সিকিম ও জলপাইগুড়ির বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে।

এক কর্মকর্তার কথায়, স্থানীয়দের ও উদ্ধারকারী টিমকে বলা হয়েছে, উদ্ধার করার সময় অত্যন্ত সতর্ক হয়ে কাজ করবেন। নদীর চড়ায় কোনো সন্দেহজনক বস্তু পেলেই যেন খবর দেয়া হয়। এনিয়ে একাধিক রিপোর্ট মিলেছে।

এদিকে ইতিমধ্যেই সেনা কর্তৃপক্ষ ১২০০ টি জায়গায় এই বিস্ফোরককে নষ্ট করে দিয়েছে।

এক সেনাবাহিনী কর্মকর্তার কথায়, প্রথমদিকে ৩৩টি টিম করা হয়েছিল। ৬-৭ জন সেনাসদস্য ও একজন বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ। তবে বর্তমানে ৫০টি টিম করা হয়েছে। স্নিফার ডগের সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এমনকি বিস্ফোরক চিহ্নিত করতে বিশেষ ধরনের ড্রোনও ব্যবহার করা হচ্ছে।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 × 1 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য