Saturday, July 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবর‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা দুর্নীতিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন’

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা দুর্নীতিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন’

ক্ষমতাসীন দলসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সরকারের যোগসাজশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা (ভিসি) দুর্নীতিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

কোনো কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে ২৫টি, আবার কারো বিরুদ্ধে ৪৫টি পর্যন্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে জানিয়ে এক বিবৃতিতে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, এতসব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংস্থাটির পক্ষ থেকে এসব কথা বলা হয়েছে।

এতে দুর্নীতি-অনিয়মের কারণে অভিযুক্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।

টিআইবি বলছে, উপাচার্যদের বিরুদ্ধে প্রচুর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও দুদক স্বতঃপ্রণোদিত ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে, যা হতাশাব্যঞ্জক। শিক্ষা উপমন্ত্রী আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ দুদকের কাছে প্রেরণের যে কথা বলেছেন তদনুযায়ী ব্যক্তির সামাজিক অবস্থান, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে ও কোনো ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এদিকে সাম্প্রতিক একাধিক গণমাধ্যমে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তা খুবই হতাশাব্যঞ্জক ও আত্মঘাতী বলে অভিহিত করেছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‌‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষাদান, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার পরিবর্তে একশ্রেণির সুবিধাভোগী দলদাস তথাকথিত শিক্ষকদের কারণে দলীয় লেজুড়বৃত্তির রাজনীতির স্বার্থ রক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।’

টিআইবির চেয়ারম্যানের ভাষায়, ‘অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতার বদলে রাজনৈতিক পরিচয় ও সম্পৃক্ততা নিয়োগ প্রদানের অন্যতম বিবেচ্য হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে বলে যে অভিযোগ রয়েছে, তা সরাসরি নাকচ করে দেওয়া যাচ্ছে না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্যসহ প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে এমন সব ব্যক্তিকে পদায়ন ও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা উচ্চ শিক্ষার পরিবেশ নয় বরং ক্ষমতাসীন দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা বিধানে সচেষ্ট থাকেন।’

এছাড়া দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে ইউজিসি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশের পরেও তার বাস্তবায়ন না হওয়াকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছে টিআইবি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য