Sunday, April 26, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরমঙ্গলবার আঘাত : ১২ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

মঙ্গলবার আঘাত : ১২ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

বাংলাদেশের দিকেই আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। বাংলাদেশের সুন্দরবন উপকূল থেকে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপকূলের ওপর দিয়ে পুরো অঞ্চলজুড়ে সিত্রাং স্থলভাগে উঠে আসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে তা হবে অপেক্ষাকৃত দুর্বল ধরনের একটি ঘূর্ণিঝড়। কারণ গতকাল রোববার পর্যন্ত সিত্রাং যেখানে ছিল সেখানে গভীর নিম্নচাপটি দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। বড় অংশটি বাংলাদেশের ওপর উপকূলের দিকে আসছে। ভাগ হয়ে যাওয়ার কারণে এটি হবে অপেক্ষাকৃত দুর্বল ঘূর্ণিঝড়। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য আবহাওয়া দফতর ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে উঠে আসার সময় এর গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। এ সময় স্বাভাবিকের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হলেও আজ সোমবার দিবাগত রাতে চাঁদের অমাবস্যা অবস্থা সৃষ্টি হবে বলে জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা বাড়বে। ঘূর্ণিঝড়ে যত না ক্ষতি হবে জলোচ্ছ্বাসের কারণে এর চেয়ে বেশি ক্ষতি বেশি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। সে কারণে জলোচ্ছ্বাসের কারণে যেসব বাঁধ উপচে স্থলভাগে পানি চলে আসতে পারে সেখানে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

গতকাল রোববার পর্যন্ত নিম্নচাপটি আরো কিছুটা শক্তি সঞ্চয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে এবং দিক পরিবর্তন করে উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। গভীর নিম্নচাপের বর্ধিতাংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সাথে ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ কিলোমিটার) থেকে ৮৯ কিলোমিটারের কিছু বেশি বেগে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়োহাওয়ার কারণে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ গতকাল রোববার সন্ধ্যায় নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন, গভীর নিম্নচাপের বর্ধিতাংশের প্রভাবে আজ সোমবার সকাল ৯টার পর থেকে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের উপকূলীয় পিরোজপুর, বরগুনা, বাগেরহাট, ভোলা, নোয়াখালী জেলার ওপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করার প্রবল সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু গভীর নিম্নচাপ থেকে ঝড়োহওয়ার পর ঝড়ের কেন্দ্র আজ সোমবার বিকেলের পর থেকে স্থলভাগে আঘাত করার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উচ্চগতির বাতাস, অতিবৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাস হয়ে থাকে। আজ সোমবার রাতের জোয়ারের সময় জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাব্য উচ্চতা ৮ থেকে ১২ ফুট হতে পারে এবং উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, আজ সোমবার দিবাগত রাতে চাঁদের অমাবস্যা অবস্থা। অমবস্যার কারণে উপকূলীয় এলাকা ও চরাঞ্চলগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপের বর্ধিতাংশ, অমাবস্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের কারণে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, ও কক্সবাজার এবং এসব জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জেয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার অধিক বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা পরবর্তীতে আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ ‘গতকাল দুপুর ১২টার দিকে জাপানের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত ছবি বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, গভীর নিম্নচাপটি দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। এর একটি অংশ ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের বিশাখাপট্টম বন্দরের পূর্ব দিকে এবং বড় অংশটি বাংলাদেশের দিকে এগোচ্ছে। দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাওয়ার কারণে নিম্নচাপটি অনেক দুর্বল হয়ে গেছে। দুই অংশই স্বাধীনভাবে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু শক্তি ভাগ হয়ে যাওয়ার কারণে কোনো অংশই গতকাল দুপুর পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারেনি।

মোস্তফা কামাল আরো বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টির ঠিক উপরের আকাশের বায়ু এটিকে শক্তিশালী হতে বাধা দিচ্ছে। উপরের অংশের বায়ুর শক্তি অনুকূল থাকলে (৯ থেকে ২৮ কিলোমিটারের মধ্যে) নিম্নচাপটি ইতোমধ্যেই অনেক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতো হতে পারত। বর্তমানে নিম্নচাপের উপরের অংশে বায়ুর গতি অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৫৫ কিলোমিটার) হওয়ায় নিম্নচাপটির উপরে উঁচু মেঘের সৃষ্টি হচ্ছে এবং উচ্চ গতির বাতাস সেটাকে সঙ্গে সঙ্গে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সে কারণে এটি শক্তিশালী হতে পারছে না।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে সৃষ্ট বাইরের বৃষ্টি বলয়ের প্রভাবে গতকাল দুপুরের পর থেকে কিছুটা বৃষ্টিপাত হয়েছে। গভীর নিম্নচাপটি প্রায় কৌণিকভাবে বাংলাদেশের উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার কারণে নিম্নচাপ কেন্দ্রের বাতাসের গতিবেগ অপেক্ষাকৃত কম। তার পরও সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ হচ্ছে। ফলে গতকাল থেকে ২ থেকে ৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়ে গেছে।

নোয়াখালী অফিস জানায়, নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সাথে সারা দেশের নৌযোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। গতকাল বিকেল থেকে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে নদী উত্তাল থাকায় পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

নোয়াখালী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম জানান, আজ সোমবার সন্ধ্যার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলের দিকে ধেয়ে আসতে পারে। পরদিন মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড় ভোরের মধ্যে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ৪০১ আশ্রয়ণকেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। সেই সাথে উপকূলে আট হাজার ৩৮০ স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

হাতিয়া উপজেলা ইউএনও মোহাম্মদ সেলিম হোসেন বলেন, নদী উত্তাল থাকায় জনগণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে হাতিয়ার সাথে সারা দেশের নৌচলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

বরগুনা প্রতিনিধি জানান, উপকূলে ১ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। যদিও ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম হওয়ার কারণে বঙ্গোপসাগর ও নদীগুলোতে ২২ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই বরগুনার সব মাছ ধরার ট্রলার উপকূলের ঘাটেই আছে।

এ দিকে এ বৃষ্টিকে উপকারী হিসেবে দেখছেন বরগুনার কৃষকরা। তাদের বলছেন, গত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হওয়ায় জমিতে পানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া অনাবৃষ্টির কারণে জমিতে পোকামাকড় বেড়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ বাড়লে পোকামাকড়গুলো মারা যাবে। এতে ধানক্ষেতে কীটনাশকের ব্যবহার কমবে।
এ বিষয়ে বামনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের সহকারী তথ্য কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার নয়া দিগন্তকে বলেন, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণটা যদি একটু বাড়ে তাহলে কৃষকদের জন্য উপকার হবে।

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, সাতক্ষীরায় দুর্যোগের সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় ২৫০টিরও অধিক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও ১২ শ’ স্কুল-কলেজ বিকল্প আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে ছয় হাজার স্বেচ্ছাসেবক। এ ছাড়া দুর্যোগকালীন জরুরি সাড়াদানের জন্য জেলায় খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণকক্ষ। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের ঝড়ের পূর্বেই মানুষকে নিরাপদে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার নির্দেশ দেন। একই সাথে প্রত্যেক ইউনিয়নে মেডিক্যাল টিম প্রস্তুতকরণ, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ খাওয়ার পানি মজুদ রাখা, দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে উদ্ধারকার্যক্রম চালানোর জন্য ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পিরোজপুর প্রতিনিধি জানান, পিরোজপুরে সারা দিন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে দিনমজুরদের সমস্যায় পড়তে হয়েছে। তবে কৃষকরা বলছেন, আমন ধানের গাছের জন্য বৃষ্টি প্রয়োজন। তারা বলছেন এ বছর ধানের জমি শুকিয়ে ফেটে গেছে তাই ধানের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ দিকে ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে মানুষ ও গবাদিপশু রক্ষার জন্য জেলাব্যাপী সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাইক্লোন শেল্টারগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক মো: জাহেদুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, গতকাল সকাল থেকে জেলার সর্বত্র বৃষ্টি হচ্ছে। সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতীরে বসবাসকারীদের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো: জোহর আলী। জেলায় ৪২৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৬২টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেয়ায় ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং মোকাবেলায় পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন। গতকাল বিকেলে উপজেলা ইউএনর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলেই আঁতকে উঠে পায়রাপাড়ের বাসিন্দরা। কারণ ঘূর্ণিঝড় সিডরে উপজেলার চরখালী একটি গ্রামে মারা যায় প্রায় ৮৪ জন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র দাস জানান, ৫৮টি সাইক্লোন শেল্টার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি প্রস্তুত রাখাসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত সাইক্লোন শেল্টারের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অন্য দিকে, উপজেলায় মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

7 − 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য