মাওলানা আইনুল হক কাসিমীকে গতকাল সাদা পোশাকে ডিবি দারস চলাকালীম অবস্থায় গাড়িতে করে তুলে নিয়ে গেছে প্রথম আলো ভাংচুর করার অভিযোগে, অথচ তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিতও ছিলেন না। তিনি শুধু ফেইসবুকে পোস্ট লিখেছেন ফ্যাশিবাদ ও ডারতীয় হেজিমনির আঁতুরঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে ছাত্র-জনতা।

এমনভাবে তুলে নিয়েছে এবং একটা মেসেজ দিতে চেয়েছে যে এই মোল্লাদের থেকে ভয়ংকর কিছু আপাতত দেশে নাই।
ইউনুসের পেইজ থেকে ৯ জনকে আটক করার কথা বলা হয়েছে, তবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে শুধু একজনের যার পড়াশোনা মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের।
একই দিনে দুইটা স্টেইট স্পনসর্ড ইসলামোফোবিক ঘটনা ঘটলো।
উদ্দেশ্য একটাই — হুজুর, ইসলামপন্থী ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে হাসিনা আমলের বয়ানকে ফিরিয়ে আনা। জমিদাররা এই সুযোগটা ছাড়ে নাই।
অথচ ধরতে হলে ধরা দরকার ছিল অ্যান্ড্রু ট্রেইটের সেইসব ছানাপোনাদের যারা ওসমান হাদীর লাশ নিয়ে রাজনীতি করার লোভ সামলাতে পারে নাই।
‘বিপ্লব’ এর ডাক দিয়ে যারা বললো সবাই শাহবাগে আসেন।
সার্জিস আলম বললো কাজ বাকি আছে, অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
মাহফুয আলম আগেই বলে রেখেছিল লাশের বদলা লাশ দিয়েই হবে।
নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারি একই সুরে বললো রক্তের বদলা চাই।
এনসিপির চিয়ারলিডার সাদিকুর রহমান বললো ৩২ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে হবে সেই রাতেই, দেরি করা যাবে না।
বাম, শাহবাগী, ছায়ানট, উদীচি তছনছ করে দিতে বললো শিবিরের মুস্তাফিজ।
প্রথম আলো, ডেইলি স্টার আর ইন্দিরাগান্ধী কালচারাল সেন্টার অক্ষত রাখা যাবে না জানিয়ে দিল শিবিরের মাসুদ রানা।
অ্যান্ড্রু টেইটের এই ছানাপোনাদের ছেড়ে দিয়ে ধরা হল ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত মাদ্রাসা শিক্ষককে।
উনাকে দ্রুত ছাড়ানো জরুরি। যাদের পক্ষে সম্ভব, এগিয়ে আসুন।
© Zim Tanvirএর ফেসবুক পোস্ট থেকে
