Saturday, April 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরযৌতুক না দেওয়ায় গৃহবধূকে এসিডে ঝলসে দিলেন স্বামী ও শ্বশুর

যৌতুক না দেওয়ায় গৃহবধূকে এসিডে ঝলসে দিলেন স্বামী ও শ্বশুর

মাদারীপুরে যৌতুক না দেওয়ায় সাত মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

স্বজনরা ও এলাকাবাসী জানান, ৯ মাস আগে মাদারীপুর সদর উপজেলার মাদ্রা এলাকার সুমন শেখের সঙ্গে বিয়ে হয় পাশের কালাইমারা গ্রামের মিম আক্তারের। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময় যৌতুক দাবি করে আসছিল। এতে পাঁচ মাস আগে বাবার বাড়ি চলে যান মিম। স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হলে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন সুমন ও তার পরিবারের লোকজন। শনিবার সন্ধ্যায় মিমের বাবার বাড়ি গিয়ে সুমন ও মিমের শ্বশুর সোবাহান শেখ কৌশলে ডেকে তাকে ঘরের পেছনে নিয়ে যান। পরে বোতলে থাকা এসিড নিক্ষেপের চেষ্টা চালান বলে অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে হাত ও মুখমণ্ডলে এসিড লাগলে চিৎকার করেন মিম। পরে তাকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় জেলা সদর হাসপাতালে। পালিয়ে যাওয়ার সময় মিমের শ্বশুরকে আটক করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সুমনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায় পুলিশ।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার মো. মনিরুজ্জামান পাভেল বলেন, এসিডের শিকার ওই নারী আমাদের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পরবর্তী সময়ে তার চামড়ার রং পরিবর্তন বা অন্য কোনো ক্ষত সৃষ্টি হয় কি না তা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে প্রথমে ওই নারীর দুই হাতে এসিড লাগে। পরে নিচে ফেলে দিয়ে তার মুখমণ্ডলে সুমন এসিড ঢেলে দেয়। আমরা ওই অভিযুক্ত সুমন ও তার বাবা সোবাহানকে আটক করেছি। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

20 + thirteen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য