Saturday, June 6, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবররাজশাহী খুলনায় স্যালাইনের তীব্র সংকট, বিপাকে রোগীরা

রাজশাহী খুলনায় স্যালাইনের তীব্র সংকট, বিপাকে রোগীরা

রাজশাহী ও খুলনা জেলায় শিরায় প্রয়োগযোগ্য স্যালাইনের তীব্র সংকট চলছে। বাড়তি টাকা দিয়েও ফার্মেসিতে স্যালাইন মিলছে না। এমনকি সরকারি হাসপাতালগুলোতেও স্যালাইনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী জানান, রাজশাহী জেলায় শিরায় প্রয়োগের স্যালাইন সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ডেঙ্গু রোগী বেড়ে যাওয়ায় এই স্যালাইনের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় স্যালাইনের সরবরাহ বাড়েনি বরং আগের চেয়ে আরো কমেছে।

রাজশাহীর সবচেয়ে বড় ওষুধের মার্কেট লক্ষ্মীপুর ও সাহেব বাজারের ফার্মেসিগুলোতে শিরায় প্রয়োগের স্যালাইন পাওয়া যাচ্ছে না। এতে রোগী ও স্বজনরা বিপাকে পড়েছেন। কিছু দোকানে যত্সামান্য স্যালাইন মিললেও দ্বিগুণ বা তারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। জানা যায়, ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় রাজশাহীতে শিরায় প্রয়োগের স্যালাইনের চাহিদা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক গুণ বেড়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় স্যালাইন প্রস্তুতকারী কোম্পানি থেকে বাজারে সরবরাহ বাড়েনি, বরং কমেছে। সূত্র জানায়, মূল্য তালিকার দ্বিগুণের বেশি দামে (৯১ টাকা মূল্যের স্যালাইন ২০০ টাকা) বিক্রির দায়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার ‘আরোগ্য নিকেতন ফার্মেসি’র মালিককে ৩০ হাজার টাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে একই এলাকার ‘আলিফ লাম মিম ফার্মেসি’র মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাসুম আলী। তিনি জানান, দুই দোকানিকে জরিমানার পর বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির পক্ষ থেকে মূল্য তালিকা নিশ্চিতের আশ্বাস দেওয়ায় চলমান অভিযান স্থগিত রাখা হয়। তবে কোনো অসাধু ব্যবসায়ী বেশি দামে স্যালাইন বিক্রি করলে তদারকিমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় স্বল্পমূল্যে ওষুধ বিক্রির জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের স্টিকারপ্রাপ্ত জনপ্রিয়, ড্রাগ মিউজিয়াম ও শাহিন মেডিক্যালসহ বিভিন্ন ফার্মেসির বিক্রয় কর্মীরা জানান, ১০০ ব্যাগ স্যালাইনের চাহিদার বিপরীতে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা সর্বোচ্চ পাঁচ-ছয় ব্যাগ সরবরাহ করছেন। ফলে রোগীদের চাহিদা মতো স্যালাইন দেওয়া যাচ্ছে না।   

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nine + eight =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য