Sunday, May 31, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরসীমান্তে আবারো গোলাগুলি আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছে মানুষ

সীমান্তে আবারো গোলাগুলি আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছে মানুষ

মিয়ানমার সৈন্যদের ছোড়া গুলি আবারো বাংলাদেশের সীমানায় এসে পড়েছে। গতকাল শনিবার বেলা দেড়টায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড লেমুছড়ি বাহিরমাঠ এলাকায় ওই গুলি এসে পড়ে। সীমান্তের ৪৩-৪৪ পিলার এলাকায় মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এখনো ব্যাপক গোলাগুলি চলছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে এলাকা ছাড়ছেন নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: ইমরান বলেন, গত শুক্রবার রাত থেকে ৪৯ ও ৫০ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছাকাছি মিয়ানমার সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলি হচ্ছিল। গতকাল সকালের দিকে কিছু সময় বন্ধ থাকার পর দুপুরে ফের গোলাগুলি শুরু হয়। স্থানীয়রা জানান, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ওই এলাকার বিপরীতে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে কোনো গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। এতে অনেকটা স্বস্তিতে ছিলেন তারা। কিন্তু গতকাল থেকে শুরু হয় মর্টার শেল বিস্ফোরণের শব্দ। নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সীমান্তের শূন্যরেখার কাছাকাছি হওয়ায় চেরারমাঠেও কিছু কিছু মেশিনগানের গুলি এসে পড়ে।
চেরারমাঠে প্রায় ২০০ পরিবারের বসবাস। তারা সবাই পাশের পাড়ায় সরে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।


নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছার বলেন, সীমান্তের ৪৩ পিলার থেকে দোছড়ি ইউনিয়নের ৫০ পিলার পর্যন্ত এলাকাজুড়ে ব্যাপক গোলাগুলি চলছে। এ জন্য তার ইউনিয়নের চেরারমাঠ, ফুলতলি, জামছড়িসহ কয়েকটি সীমান্তঘেঁষা পাড়ার লোকজনকে সরে থাকতে বলা হয়েছে। কয়েক দিন ধরে ওই এলাকার মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীদের সীমান্ত চৌকিগুলো বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) দখলে ছিল। এখন ওই সীমান্ত চৌকিগুলো পুনঃদখলের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ জন্য দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ চলছে।
দোছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিব উল্লাহ বলেন, দোছড়ির বাইরমাঠ এলাকার বিপরীতে মিয়ানমারের একটি সীমান্ত চৌকি রয়েছে। সেখানেও গোলাগুলি হচ্ছে। তবে এলাকার লোকজন আতঙ্কে থাকলেও এখনো সরে যায়নি।


সীমান্তে গোলাগুলি ও লোকজন সরে যাওয়ার ব্যাপারে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে ১০ অক্টোবর নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে গোলাগুলি ও মর্টার শেলের শব্দ শোনা যায়। প্রায় ১২ দিন পর আবার গতকাল থেকে গোলাগুলি শুরু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

three × five =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য