হঠাত যদি ফেসবুক বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে কেমন হবে?
*সবার আগে ওয়েডিং ফোটোগ্রাফাররা মাঠে মারা যাবে। ফেবুতে যদি পিক আপ না দেয়া যায় আর শ খানিক লাইক না পাওয়া যায়, তবে পাতি বাঙ্গালী এত খরচ করে ছবি তুলবে কেন? 😃
- সেই সাথে বিউটি পার্লারগুলোরও খবর হয়ে যাবে। …… কারন আজকাল সবাই শুধু ছবি তে সুন্দর লাগার জন্যই বিয়ের সময়, ২০/৩০ হাজার টাকা খরচ করে এক রাতের জন্য বউ সাজে!
রেস্টুরেন্ট ব্যাবসাতেও লাল বাতি জ্বলবে…… কারন ফেস বুক না থাকলে, দুই দিন পর পর চেক ইন দিয়ে স্ট্যাটাস বাড়ানো যাবে না।
*অন্যায়ের প্রতিবাদে কিছু দিন পর পর সচেতন নাগরিকরা কম্বলের তলে বসে, নীল রঙের এই জগতে আর ঝড় তুলতে পারবেন না…………… সাহস থাকলে তখন সত্যি সত্যি রাস্তায় নামতে হবে। 😮
*সেলফি সুন্দরীদের বাঁকা ঘাড় সোজা হয়ে যাবে, ডাক ফেস থেকে তারা হিউম্যান ফেসে ফেরত আসবে। - হঠাত করে দুনিয়ার মানুষ অনেক প্রডাকটিভ হয়ে যাবেন, কারণ তারা আবিষ্কার করবেন ২৪ ঘণ্টা আসলেই অনেক লম্বা সময়।
*পরীক্ষার আগের রাতে কিছু করার না থাকায়, ছাত্ররা বাধ্য হয়ে পড়তে বসবে। ফলে তাদের রেসাল্ট ভালো হয়ে যাবে।
*পরকীয়া কমে যাবে। - “অন্যের জামাই কত বেড়াতে নিয়ে যায়” কিংবা অন্যের বউ বেশি সুন্দরী” …… এই ধরণের কম্প্যারিজন মূলক ঝগড়া কমে যাবে।
*তখন ফেসবুকে লোকদেখানোর জন্য জামাই বউ রা ঢং করে ছবি তুলবে না, তাদের যাবতীয় রং ঢং শুধু নিজেদের আনন্দের জন্যই হবে।
ভালোবাসার মানুষের সাথে বেড়ানোর সময় কেউ আর ফোনের দিকে তাকিয়ে সময় পার করবে না, বরং একে অন্যের দিকেও তাকাবে।
এন্ড লাস্ট বাট নট দা লিস্ট, লেখা লেখি করার যায়গার অভাবে, (আমার মত) খুচরো লেখকদের সংখ্যাও উল্লেখ যোগ্য হারে কমে যাবে । 😛 - আমরা সবাই ভার্চুয়াল জগতের হাজার মাইল দূরের বন্ধুদের বদলে হয়তো, পাশের রুমের মা-বাবাকে আবার ফিরে পাবো।
the list goes on and on and on…….
