অমর একুশে বইমেলার দশম দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ১২৮ নম্বর স্টলে ঘটে যাওয়া অনভিপ্রেত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলা একাডেমি। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলা একাডেমির জনসংযোগ দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুন রশিদকে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ খালিদ হোসেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ রোমেল, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির প্রতিনিধি আবুল বাশার ফিরোজ শেখ, শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মনসুর এবং বাংলা একাডেমির ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।
তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এই বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বরাবর লিখিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার বইমেলার ১১তম দিনে নতুন বই এসেছে ৯১টি। মেলা বিকেল ৩টায় শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে। বিকেল ৪টায় বইমেলার মূল মঞ্চে “আদর্শায়িত কল্পলোক ও শাহেদ আলীর দ্বিধাচিত্ত মন” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিবলী আজাদ এবং আলোচনায় অংশ নেন মোস্তাক আহমাদ দীন। সভাপতিত্ব করেন চঞ্চল কুমার বোস।
“লেখক বলছি” মঞ্চে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন নাসির আলী মামুন এবং মামুন সারওয়ার। এছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি করেন কবি মুস্তাফা মজিদ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন শফিকুল ইসলাম বাহার ও আনজুমান আরা। সাংস্কৃতিক সংগঠন বি-স্ক্যান-এর পরিবেশনায় পরিচালনা করেন সালমা মাহবুব। সংগীত পরিবেশন করেন মো. সালমান, মাহমুনুল হক সিদ্দিক, জাকির হোসেন আখের, সঞ্জয় কুমার দাস, শরণ বড়ুয়া, শ্রাবন্তী আক্তার জেরিন, নুরুন্নাহার হায়াত এবং মো. শাহীনুর ইসলাম। যন্ত্রসংগীতে ছিলেন এনামুল হক ওমর (তবলা), আবুল কালাম আজাদ (কী-বোর্ড), এফ এম আলমগীর কবীর (বাঁশি) এবং মো. ফারুক (অক্টোপ্যাড)।
