Monday, October 5, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে ও পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরভারতে বোরকা পরা নার্সিং শিক্ষার্থীদের প্রসবকক্ষে ঢুকতে বাধা, তদন্তে ৮ সদস্যের কমিটি

ভারতে বোরকা পরা নার্সিং শিক্ষার্থীদের প্রসবকক্ষে ঢুকতে বাধা, তদন্তে ৮ সদস্যের কমিটি

ভারতে বোরকা পরা নার্সিং শিক্ষার্থীদের প্রসবকক্ষে ঢুকতে বাধা, তদন্তে ৮ সদস্যের কমিটি

বোরকা বা আবায়া পরা জিএনএম নার্সিং শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের সময় প্রসবকক্ষে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগের পর আট সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকারি মেডিকেল কলেজ ডোডা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, স্ত্রীরোগ বিভাগের প্রধান ডা. মধু চিব তাদের বোরকা বা আবায়ার পরিবর্তে অ্যাপ্রন পরতে বলেছেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কলেজে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ধর্মীয় পোশাক পরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ন্যায্য আচরণের দাবি জানান।

এক বিক্ষোভকারী প্রশ্ন করেন, বোরকা তাদের “পরিচয় ও গর্ব” হওয়ার পরও কেন এটি নিয়ে আপত্তি তোলা হচ্ছে। কলেজ প্রশাসনের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, এ ধরনের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। তারা কথিত আচরণকে হয়রানি হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের মর্যাদার সঙ্গে আচরণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের পর সরকারি মেডিকেল কলেজ ডোডার মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট তদন্তের নির্দেশ দেন। ফিজিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. গরিমা চরককে প্রধান করে আট সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে অভিযোগের বিষয়ে “অবাধ ও নিরপেক্ষ তদন্ত” করে দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

জিএমসি ডোডার একজন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্টও কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরই প্রশাসন এই কমিটি গঠন করেছে। তদন্তের ফলাফল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত কমিটি অভিযোগের বিস্তারিত বিষয় পর্যালোচনা করবে। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা কলেজ ও হাসপাতাল প্রশাসনের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের সময় কোনো শিক্ষার্থী যেন বৈষম্য বা হয়রানির শিকার না হন এবং তাদের মর্যাদা বজায় থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

স্বেচ্ছায় অবসরের আবেদন প্রক্রিয়াকরণে বিলম্বের পর ডা. দেব রাজ ডোগরা প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে সরকারি মেডিকেল কলেজ ডোডা অধ্যক্ষ ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সূত্র : মুসলিম মিরর

Sourceinsaf24

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

15 − 4 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য