হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রিয় যুগ্ন মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, হেফাজতে ইসলাম কখনো সহিসংতায় বিশ্বাস করে না। গত হরতালে হেফাজতের ইসলামের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ন অবস্থান নিয়েছে কোথাও আগ বাড়িয়ে হামলা করে ভাঙচুর করেনি। হেফাজত কখনই বিশৃঙ্খলা পছন্দ করেন না। সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেয় না।
হেফাজতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ আমীর মাওলানা আব্দুল আউয়াল পদ থেকে সরে দাড়ানোর ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে বিকেলে ৩টায় ডিআইটি মসজিদে আসেন হেফাজতে ইসলামের দুইজন কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হক। এসময় তাদের সাথে ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা মনির হোসাইন কাশেমী, ফজলুল করিম প্রমুখ।
হরতালে হেফাজত ছিল অহিংস। হেফাজত কোন ধরনের হামলা মারধর ভাঙচুর করেনি। এটা বহিরাগত কেউ করেছে। এটা সাবোটাজ হতে পারে। হেফাজতে ইসলাম সাংবাদিকদের মূল্যায়ন করে। সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।’
বিকেল ৩টা হতে ৫টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতারা নারায়ণগঞ্জের হেফাজত নেতাদের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে মহানগর ও জেলার নেতারা হরতালের দিনের পরিস্থিতি বর্ণনা করেন। শেষে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এ সময়ে কোন বিরোধ না ঘটিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান করেন।
শেষে মামুনুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাওলানা আবদুল আউয়াল আগের মতই দায়িত্ব পালন করবে। সকল প্রকার মান অভিমান সব ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবেই কাজ করবেন ।’
পুলিশের অফিযোগ হেফাজতের হরতালে মহাসড়কে সহিংসতা হয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, হেফাজত সংহিসতা করেনি। যেটা হয়েছে আমরা তার নিন্দা জানাই।
২৯ মার্চ সোমবার বিকেলে দেওভোগ মসজিদে হেফাজতে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ মহানগরের উদ্যোগে আয়োজিত সারা দেশে মোদি বিরোধী বিক্ষোভে আহতদের সুস্থতা কামনা ও নিহতদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের কার্যক্রম শেষে নেতাকর্মীদের নিয়ে আলোচনায় মাওলানা ফেরদাউসুর বলেন, ‘আমরা কেন্দ্রে অভিযোগ করব এবং ঢাকা মহানগরে অভিযোগ দিয়েছি যে এই সভাপতি আমাদের চলবে না। ওনার অতিতের ইতিহাস এরকম। উনি যখন হার্ডলাইনে দেখে তখন ব্যাকফুটে চলে যায়। নারায়ণগঞ্জ জেলার আমীর আল্লামা আব্দুল আওয়াল সাহেব সকাল ১০টায় যে ঘোষণা দিয়েছিলেন এই ঘোষণার সাথে আমরা একমত ছিলাম না।’
পরে সোমবার রাতে শবে বরাত উপলক্ষ্যে ডিআইটি সমজিদে আলোচনায় হরতালের দিন সকাল ১০টায় কেন সেই ঘোষণা দিয়েছিলেন সেই বিষয়ে জানিয়ে হেফাজতের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা হেফাজতে ইসলামের আমীর মাওলানা আবদুল আউয়াল।
