মানবীয় ফিতরাহ এর (স্বভাবের) বিবরণ।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي جَمِيعًا، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ “ أَحْفُوا الشَّوَارِبَ وَأَعْفُوا اللِّحَى ” .
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ….. ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা গোফ কেটে ফেল (অর্থাৎ ঠোটের ওপর থেকে কেটে দেয়া) এবং দাড়ি ছেড়ে দাও অর্থাৎ বড় হতে দাও। (সহীহ মুসলিম, হাদীস একাডেমী-৪৮৮-(৫২/২৫৯), ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৯১, ইসলামিক সেন্টারঃ ৫০৭)
এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১। এই হাদীসটির দাবি মোতাবেক এটা প্রতিমান হয় যে, দাড়ির সম্মান ও যত্ন করা এবং তা ছেড়ে দেওয়া ওয়াজেব ও অপরিহার্য। তাই দাড়ি মুণ্ডন করা বা কামানো এবং তুলে ফেলা ও ছাঁটা বৈধ নয়।
২। থুতনির উপরে এবং ঠোঁটের নীচের চুলগুলি দাড়ির মধ্যেই পড়ছে।
৩। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মোচ কেটে ফেলে দেওয়ার বিষয়টি প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা সম্মত একটি কাজ। তাই মুসলিম ব্যক্তির জন্য সম্পূর্ণ মোচ কিংবা তার দুই দিক ছেড়ে দেওয়া জায়েজ নয়। সুতরাং তার জন্য এটাই উচিত যে, সে যেন তার মোচ ছেঁটে ফেলে অথবা মুণ্ডন করে
