Tuesday, July 16, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরপাকিস্তানে শিক্ষকের অভাব

পাকিস্তানে শিক্ষকের অভাব

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে শিক্ষকের অভাবে ছয় হাজার ৮৬৬ স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় ৩২ হাজার ৫১০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক এবং ১৪ হাজার ৩৯ জন জুনিয়র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। এ ছাড়া প্রদেশটিতে সাত হাজার ৯৭৪টি স্কুল অকার্যকর।

সম্প্রতি সিন্ধু হাইকোর্টকে (এসএইচসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। স্কুল শিক্ষা সচিব এসএইচসিকে আরও জানিয়েছেন, প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় ৩২ হাজার ৫১০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক এবং ১৪ হাজার ৩৯ জন জুনিয়র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে।

তিনি সিন্ধু শিশুদের বাধ্যতামূলক শিক্ষা আইন ২০১৩ বাস্তবায়নের দাবিতে অধিকার কর্মী এবং সংগঠনগুলোর দায়ের করা একই ধরনের পিটিশনের বিষয়ে মন্তব্য দাখিল করছিলেন।

এসএইচসি এর আগে স্কুল শিক্ষা সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিল, প্রদেশজুড়ে কতগুলো স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেগুলো পুনরায় খোলার চেষ্টা করা হচ্ছে কিনা।

স্কুল শিক্ষা সচিব আদালতকে জানান, সিন্ধু মন্ত্রিসভা টিচিং স্টাফের সদস্যদের বদলি এবং নিয়োগের জন্য একটি অনলাইন নীতি অনুমোদন করেছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই নতুন নীতি অনুযায়ী, শিক্ষকদের শুধু উদ্বৃত্ত শিক্ষক-কর্মচারী হিসাবে বিদ্যালয় থেকে বদলি করা হবে যেখানে ঘাটতি বা সম্পূর্ণ শিক্ষকের অভাব আছে।

তিনি বলেন, যে সব স্কুল থেকে শিক্ষকদের বদলি করা হচ্ছে তাদের বদলির মাধ্যমে কার্যকর বিদ্যালয় পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া চলছে এবং এর ফলে প্রদেশের বেশ কয়েকটি স্কুলে শিক্ষামূলক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

উচ্চ আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে যে লারকানার শত শত স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু শিক্ষকরা তাদের বেতন নিয়েছেন, যদিও তারা কোনো কাজ করেননি।

বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করেছে, পাবলিক স্কুলের অবস্থা সন্তোষজনক নয় এবং স্কুল শিক্ষা সচিবকে নিছক কাগজপত্রের পরিবর্তে সুদৃঢ় প্রচেষ্টা করতে বলেছে যাতে দরিদ্র শিশুরা আইন থেকে উপকৃত হতে পারে এবং বিনামূল্যে এবং মানসম্মত শিক্ষা লাভ করতে পারে।

এই কর্মকর্তা তার মন্তব্যে উল্লেখ করেছেন, সরকার সারা প্রদেশজুড়ে ৪৫ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করছে এবং পাঁচ থেকে ১৬ বছর বয়সি পাবলিক স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ইউনিসেফ, বিশ্বব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুলের বাইরের শিশুদের ভর্তি করার জন্য প্রাদেশিক সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

fifteen − four =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য