Saturday, April 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআফগানিস্তানে চীনা বিনিয়োগকে স্বাগত জানাবে তালেবান

আফগানিস্তানে চীনা বিনিয়োগকে স্বাগত জানাবে তালেবান

চীনকে বন্ধুদেশ হিসেবে উল্লেখ করে তালেবান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা আফগানিস্তানে চীনা বিনিয়োগকে স্বাগত জানাবে। মঙ্গলবার এ সংবাদ জানিয়েছে তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনি সাফাক। তালেবান কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র সুহেল শাহিন চীনের সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট পত্রিকাকে বলেছেন, আমরা চীনা কর্তৃপক্ষকে স্বাগত জানাই (বিনিয়োগের জন্য)। যদি তারা আফগানিস্তানে বিনিয়োগ করে অবশ্যই আমরা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘আমরা বহুবার চীনে গেছি এবং তাদের সাথে আমাদের ভালো সম্পর্ক আছে। চীন আমাদের বন্ধুদেশ। আফগানিস্তানের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে আমরা তাদের স্বাগত জানাই।’

২০ বছর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র দেশগুলোর সেনাবাহিনী (ন্যাটো) আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়ে তালেবান কর্তৃপক্ষ চীনা বিনিয়োগকে স্বাগত জানালো। গত ফেব্রুয়ারিতে তালেবান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। এর মাধ্যমে বিদেশী সেনাদের আফগানিস্তান ছেড়ে যাবার পথ প্রস্তুত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় তালেবান সদস্যরা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তালেবান নেতাদের সন্ত্রাসের কালো তালিকা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক সমর্থন নিয়ে এক নতুন আফগানিস্তান পুনর্গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিদেশী সেনারা চলের যাওয়ার পর আফগানিস্তানের বেশিরভাগ জেলা ও অঞ্চল দখল করার মাধ্যমে তালেবানরা আশরাফ গনি সরকারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করেছে।

আফগানিস্তানের বিভিন্ন জেলাগুলোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেয়ার সাথে সাথে তালেবান কর্তৃপক্ষ তাদের কুটনীতিক কার্যক্রমও চালু করেছে। তারা তাদের ক‚টনীতিক প্রতনিধিদের রাশিয়া ও ইরানে পাঠিয়েছে। একইসাথে তালেবান কর্তৃপক্ষ ইস্ট তুর্কিস্থান ইসলামিস মুভমেন্টকে আফগানিস্তানের ভুখন্ড ব্যবহার করতে দেবে না বলে চীনকে নিশ্চয়তা দিয়েছে। তারা বলেছেন, আফগানিস্তানের মাটি কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না। এমনকি চীনের বিরুদ্ধেও না। আমরা দোহা চুক্তির মাধ্যমে এ বিষয়টিতে একমত হয়েছি। মার্কিন সেনাদের চলে যাওয়ার এ মুহ‚র্তে তালেবান মুখপাত্র সুহেল শাহিন বলেন, চীনের সাথে আলোচনা হওয়া দরকার। ইয়েনি সাফাক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

2 + 20 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য