সিরিয়া সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলের বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দেশটি এই হামলাগুলোকে “আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের সংবিধানের স্পষ্ট লঙ্ঘন” হিসেবে অভিহিত করেছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
সোমবার ইসরায়েলি বাহিনী সিরিয়ার হোমস, লাতাকিয়া ও পালমিরার আশেপাশে বিমান হামলা চালায়। সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হামলাগুলো সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন ও জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সরাসরি হুমকি। মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, এটি ইসরায়েলের সিরিয়ার ভূখণ্ডের ওপর ধারাবাহিক আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের অংশ।
সিরিয়া কূটনৈতিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা কোনওভাবেই নিজেদের সার্বভৌমত্বে আঘাত বা জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করার চেষ্টা মেনে নেবে না। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে এ ধরনের হামলা রোধে স্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান নিতে এবং সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছে।
নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সিরিয়ার প্রশাসন বলেছে যে, সরাসরি ইসরায়েলের জন্য কোনও হুমকি না থাকা সত্ত্বেও, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বারবার সিরিয়ার ভূখণ্ডে প্রবেশ করে বিমান হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় সাধারণ নাগরিক নিহত হয়, সামরিক স্থাপনা, যানবাহন, অস্ত্র ও গোলাবারুদ ধ্বংস হয়।
গত সাত মাস ধরে, ইসরায়েলি সেনারা সিরিয়ার মাউন্ট হারমোন দখল করে রেখেছে এবং দক্ষিণাঞ্চলের কিছু এলাকায় ১৫ কিলোমিটার চওড়া নিরাপত্তা বাফার জোন নিয়ন্ত্রণ করছে, যেখানে ৪০,০০০-এর বেশি সিরীয় বাস করছে। ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরায়েল সিরিয়ার গোলান মালভূমি (হাইটস) অধিকাংশ অংশ দখল করেছে এবং ২০২৪ সালের শেষের দিকে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ অপসারণের পর তাদের নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণ করেছে। তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
