Wednesday, June 3, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরইসরায়েল সংশ্লিষ্ট সংস্থা বর্জনে ইন্দোনেশিয়ায় ফতোয়া জারি

ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট সংস্থা বর্জনে ইন্দোনেশিয়ায় ফতোয়া জারি

ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রদর্শন করতে ইসরায়েলকে সমর্থনকারী সংস্থাগুলোর পণ্য ও পরিষেবা বর্জনের আহ্বান জানিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় একটি ফতোয়া জারি করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার কট্টর সমর্থক দেশটির শীর্ষস্থানীয় ইসলামিক সংস্থা শুক্রবার এ ধর্মীয় আদেশে দেয়।

ইন্দোনেশিয়ার উলামা কাউন্সিল, বা এমইউআইয়ের ধর্মীয় আদেশে বলা হয়েছে, দেশের মুসলমানদের অবশ্যই ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামকে সমর্থন করতে হবে। পাশাপাশি ইসরায়েল বা তার সমর্থকদের সমর্থনকে ‘হারাম’ বা ইসলামী আইনের বিরুদ্ধে ঘোষণা করেছে তারা।

কাউন্সিলের একজন নির্বাহী আসরুন নিয়াম শোলেহ শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, এমইউআই প্রত্যেক মুসলমানকে যতটা সম্ভব ইসরায়েলের পণ্য ও লেনদেন ব্যবহার, ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত ও যারা ঔপনিবেশিকতা ও ইহুদিবাদকে সমর্থন করে তাদের এড়াতে আহ্বান জানাচ্ছে। 

শোলেহ আরো বলেন, ‘আমরা ফিলিস্তিনের সঙ্গে যুদ্ধরত পক্ষকে সমর্থন করতে পারি না। এমন পণ্যও ব্যবহার করা যাবে না, যেগুলো আসলে ফিলিস্তিনিদের হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে।’

হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন করা পশ্চিমা ব্র্যান্ডগুলোকে বর্জন করার আহ্বান জানিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রচারণার সময় এমইউআইয়ের সর্বশেষ এ ফতোয়া এলো।

৭ অক্টোবর হামাস যোদ্ধারা সামরিকীকৃত সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায়। এতে প্রায় দেড় হাজার ইসরায়েলি নিহত হয় এবং তারা প্রায় ২৪০ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায়। এর পরই হামাসকে ধ্বংসের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইসরায়েল গাজায় বোমাবর্ষণ ও স্থল অভিযান শুরু করে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক এবং তাদের মধ্যে অনেক শিশুও রয়েছে।

উল্লেখ্য, ফতোয়াগুলোর কোনো আইনি শক্তি নেই। এর উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ধর্মপ্রাণদের একটি নির্দিষ্ট পদক্ষেপের বিরুদ্ধে উৎসাহিত করা। জাতিসংঘের মাধ্যমে নির্ধারিত আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত উপায়ের ওপর ভিত্তি করে যুদ্ধের সমাধানের আহ্বানও জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়া, যার মধ্যে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সূত্র : এএফপি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

1 × 5 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য