Tuesday, April 21, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরতালেবানদের অগ্রযাত্রায় উৎসাহিত হচ্ছেন কাশ্মীরের মুক্তিকামীরা

তালেবানদের অগ্রযাত্রায় উৎসাহিত হচ্ছেন কাশ্মীরের মুক্তিকামীরা

দুই-দশকের যুদ্ধের পরে ন্যাটো মিশনের সমাপ্তির সাথে সাথে আফগান জাতির অনিশ্চয়তা সুরক্ষা নিয়ে ভরতের উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। নয়াদিল্লির নীতিনির্ধারকরা অধিকৃত কাশ্মীরের সাথে জড়িত বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করছেন এবং আফগানিস্তানে তালেবানদের পুনরুত্থান ওই অঞ্চলটির মুক্তিকামীদের যাতে উত্সাহিত না করে, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।

একাধিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে তালেবান বিদ্রোহীরা আফগান সরকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিশেষত উত্তর-পূর্বাঞ্চল বাদাখশান প্রদেশে প্রচণ্ড আক্রমণ চালিয়েছে। উত্তর আফগানিস্তানে তালিবানদের অগ্রগতির প্রতিক্রিয়া হিসাবে কয়েকশ আফগান নিরাপত্তা কর্মী সম্প্রতি তাজিক-আফগান সীমান্ত পেরিয়ে পিছু হটেছিল। বুধবার সীমান্ত পেরিয়ে তাজিকিস্তানে প্রবেশ করা প্রায় ৩০০ আফগান সেনা সদস্যকে দেশে ফেরত পাঠানো হয় বলে তাজিকি নিরাপত্তা সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে। এর ফলে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের সৃস্টি হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, তালেবানরা তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে এবং আরও অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নেবে। পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন যে, এর ফলে ভারত-অধিকৃত কাশ্মীরেও সশস্ত্র বিদ্রোহের সৃষ্টি হতে পারে। প্রখ্যাত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা প্রবীণ সাভনি ডয়চে ভেলেকে বলেন যে, আফগানিস্তানে যদি তালেবানরা ক্ষমতায় ফিরে আসে তবে কাশ্মীরের উপর অবশ্যই এর প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, ‘আমার মূল্যায়ন অনুসারে, চীন, পাকিস্তান ও তালেবানদের সমন্বয়ে একটি সংহতি ফ্রন্ট হবে। যার প্রভাব কাশ্মীরের উপরেও পড়বে।’

প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির নেতৃত্বে আফগানিস্তানের বর্তমান সরকার কতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ‌’তালেবান যোদ্ধারা মাটির সন্তান,’ সাভনি বলেন, ‘তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কোন আশ্বাস দেয়নি যে, তারা সহিংসতা থেকে বিরত থাকবে। তালেবানরা ইতোমধ্যে দেশের বেশিরভাগ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। হ্যাঁ, ন্যাটো-সেনা প্রত্যাহারের পরে, আমি কাশ্মীরে নিশ্চিতভাবে এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছি।’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার, ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক অবস্থান এবং স্বায়ত্বশাসন বাতিল করে এবং জনগণের বিক্ষোভ বন্ধ করতে চলাচল এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের সাথে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে, যা ওই অঞ্চলের বিশেষ মর্যাদাকে বাতিল করার তীব্র সমালোচনা করেছিল এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতি সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছিল। সূত্র : ডয়চে ভেলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

15 + fifteen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য