Thursday, July 23, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরভারতে মুসলিম নারীদের ‘বিক্রির’ বিজ্ঞাপন

ভারতে মুসলিম নারীদের ‘বিক্রির’ বিজ্ঞাপন

ভারতে সংখ্যালঘু নারীদের ছবিসহ প্রোফাইল তৈরি ও প্রকাশ করে নিলামের বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছে ‘শালি ডিলস’ নামের একটি অ্যাপ ও ওয়েবসাইট। গত রোববার দেশটির কয়েক ডজন মুসলিম নারী দেখতে পান, তাদের অনলাইনে বিক্রয়ের জন্য রাখা হয়েছে।

এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- গত কয়েক সপ্তাহে ওই অ্যাপে অন্তত ৮৩ জন মুসলিম নারীর ছবি দিয়ে তাদের ‘বিক্রির আয়োজন’ করা করা হয়।

জানা গেছে, ‘শালি ডিলস’ নামের ওই অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে নারীদের বিশেষায়িত করা হয়েছে ‘ডিলস অফ দ্য ডে’ বলে। অ্যাপটিতে যেসব নারীকে নিলামে তোলা হয়েছে, তারা সবাই মুসলিম এবং অধিকারের বিষয়ে সোচ্চার। তাদের প্রায় সবাই পেশায় সাংবাদিক, অধিকারকর্মী, শিল্পী কিংবা গবেষক।

বিক্রির তালিকায় রয়েছেন হানা খান নামের এক নারী, যিনি পেশায় বাণিজ্যিক বিমানচালক। গত কয়েক দিন ধরে আত্মীয়-পরিজন-বন্ধুরা মেসেজ করে চলেছেন হানা খানকে। সঙ্গে ট্যাগ করা নেটমাধ্যমের একটি পোস্ট। সেখানে হানার ছবি আপলোড করে তাকে বিক্রির জন্য নিলামে তোলা হয়েছে।

হানা বলেছেন, ‘ধর্মীয় পরিচয়ের জন্য অবমাননার উদ্দেশ্যেই এমন কাজ করা হয়েছে বলে আমার মনে হয়।’ তিনি জানান, ‘ওই ওয়েবসাইটে প্রায় ২০ দিন ধরে তার ছবি ও টুইটারে দেওয়া তথ্য ছিল। আমি প্রথমে বিষয়টি জানতেও পারিনি। আত্মীয় ও বন্ধুদের কাছ থেকে খবর পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।’

এরপর পুলিশে অভিযোগ জানান হানা। টুইট করে বিষয়টি সামনেও আনেন তিনি। হানার মতো সেই তালিকায় ছাত্রী, সমাজকর্মী এমনকি, সাংবাদিকেরও নাম এবং ছবি রয়েছে। ব্যবহার করা হয়েছে টুইটারে দেওয়া তাদের ব্যক্তিগত তথ্য।

নেটমাধ্যমে সক্রিয় এসব মুসলিম নারী বিভিন্ন সময় নানা সামাজিক ও ধর্মীয় অপরাধের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাই নিছক ‘যৌন বিনোদন’ নয়, পুরো ঘটনার পেছনে ‘অন্য উদ্দেশ্য’ রয়েছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, ‘জিটহ্যাব’ নামে একটি ওয়েব প্ল্যাটফর্ম থেকে ওই অ্যাপটি কার্যকর করা হয়েছিল। অভিযোগ পাওয়ার পরেই তারা দ্রুত সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

20 + 18 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য