Wednesday, June 3, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরযোগাযোগবিচ্ছিন্ন সেন্টমার্টিন, খাদ্য সঙ্কটের শঙ্কা

যোগাযোগবিচ্ছিন্ন সেন্টমার্টিন, খাদ্য সঙ্কটের শঙ্কা

কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ রুটের যাত্রী ও খাদ্যপণ্যবাহী সকল নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে খাদ্য সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যায় পড়েছে সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দারা। দ্বীপের মানুষের টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন এবং সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ কোথাও আসা যাওয়ার সুযোগ নেই। যারা গোলাগুলির আগে দ্বীপ থেকে বাইরে কাজে এসেছেন তারা ৩-৪ দিন ধরে দ্বীপে যেতে না পেরে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সমাধান না হওয়ায় আপাতত অনেকেই টেকনাফে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে অবস্থান করছে।

স্থানীয়রা জানান, টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে নাফনদীর মোহনা শেষে নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা পার হওয়ার সময় মিয়ানমার প্রান্ত থেকে দ্বীপে যাতায়াত করা ট্রলারগুলোকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হচ্ছে। যার কারণে মানুষ প্রাণের ভয়ে পারাপার করতে চাচ্ছে না। তবে গুলি কি মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ছুড়ছে? নাকি বিদ্রোহীরা ছুড়ছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি কেউ। গত কয়েক দিনে ২-৩টি ট্রলারে এ রকম আক্রমণ চালানো হলে ট্রলার চলাচল বন্ধ করে দেন মালিকরা।এদিকে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নের ফলে সেন্টমার্টিনে দেখা দিচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সংকট। দ্বীপে বসবাসরত ১০ হাজারের অধিক বাসিন্দার মধ্যে যারা দিনে এনে দিনে খায় আপাতত কষ্টে বেশি পড়েছে তারাই। খাদ্য ও পণ্যবাহী বোট চলাচল করতে না পারায় সেন্টমার্টিনের দোকানগুলোতে যেমন মজুদকৃত খাদ্য পণ্য শেষ হতে চলেছে তেমনি সে সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম দ্বিগুণ নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দ্রুত সমাধান না হলে দ্বীপবাসীর জন্য খাদ্য, চিকিৎসাসহ অন্যান্য সমস্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, দ্বীপে আসার পথে নাইক্ষ্যংডিয়া সীমান্ত থেকে সেন্টমার্টিনগামী নৌযানের উপরে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার কারণে গত ৩ দিন ধরে সেন্টমাটিন-টেকনাফ যাত্রী ও পণ্যবাহী সব নৌযান চলাচল বন্ধ। যার কারণে  দৈনন্দিনের নিত্য প্রয়োজনিয় খাদ্যপণ্য সংকট হচ্ছে। সামাধান না হলে দ্বীপবাসীর অবস্থা খুব সংকটাপন্য হবে। সমস্যা দীর্ঘ হওয়ার আগে যেন সরকার সামাধানের চেষ্টা করেন সেই কামনা করছি। 

সেন্টমার্টিন বোট মালিক সমিতির সভাপতি রশিদ জানান, ট্রলারে প্রকাশ্যে গুলি করতে দেখে মানুষ ভয়ে যাচ্ছে না। এছাড়া ওই পথ ছাড়া সেন্টমার্টিনে আসার বিকল্প কোনও ব্যবস্থা বা রুটও নাই। প্রতিদিন সেন্টমার্টিন-টেকনাফ নৌ রুটে ৬/৭ টি বোটের মাধ্যমে শতাধিক মানুষ আসা যাওয়া করার পাশাপাশি খাদ্য ও নিত্যপণ্য বহন করতেন। 

টেকনাফ উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী জানান, এ বিষয়ে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ হচ্ছে। তবে জরুরি ভিত্তিতে শাহপরীর দ্বীপ অংশ থেকে বিকল্প পদ্ধতিতে বঙ্গোপসাগর হয়ে সেন্টমার্টিন যাওয়া যায় কিনা তা খতিয়ে দেখছি।


বিডি প্রতিদিন/নাজমুল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

2 × two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য