Thursday, November 5, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে ও পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরহাফেজ শিশুদের ধর্মকে মিথ হিসেবে দেখানো নোরা হারারির "নেক্সাস" বই উপহার দিলেন...

হাফেজ শিশুদের ধর্মকে মিথ হিসেবে দেখানো নোরা হারারির “নেক্সাস” বই উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে দেখলাম শিশু হাফেজদেরকে যে বইগুলো হাদিয়া হিসেবে দিয়েছেন সেখানে নোহা হারারির নেক্সাস বইটাও আছে । আমি জানি না এই বইটাকে কে সিলেক্ট করে দিল। যে বই ধর্মকে মিথ হিসেবে তুলে ধরে এবং সেই ন্যারেটিভেই আধুনিক যুগ পর্যন্ত ইতিহাসকে গুছিয়ে তুলে ধরেছে এরকম বই যেকোন শিশুর ঈমানকে ভঙ্গুর করে তুলতে পারে। আর এরকম একটি বই হাফেজদেরকে দেওয়ার মত এরকম বুদ্ধি নিশ্চয়ই কোন ভালো মানুষের মাথা থেকে আসে নাই। সব বনেই প্যাঁচা আছে। আরো সমস্যা হল নোয়া হারারির এই বইয়ের যে অনুবাদটা দেওয়া হয়েছে সেটা নিয়ন পাবলিকেশন্সের। যারা কিছুদিন আগেও পলাতক আমিনুল হক পলাশ নামে এক সাবেক এন এস আই কর্মকর্তার দ্বারা লিখিত ডক্টর মুহাম্মাদ ইউনুসকে টার্গেট করে লেখা প্রোপাগান্ডামূক বই তাদের বুক স্টোর গুলো থেকে সড়াতে অস্বীকার করে। যে বইতে ম্যাস কিলার হাসিনার ভূমিকাও আছে। এরকম একটা পাবলিকেশন্সের বই দেওয়াটা তাদেরকে আরো দুঃসাহসী করে তুলবে।

হাফেজদেরকে হয়তবা যে বইগুলো সিলেক্ট করে দেওয়া হল হতে পারে এগুলো কোন গুগল সার্চের ফসল। অথবা কোন কুটিল চিন্তার মানুষের সিলেক্টিভ চয়েজ। হয়তবা এরকমও ধারণা থেকে এই বইগুলো কিনে দেওয়া হতে পারে যে হাফেজরা তো সারাদিন কোরান নিয়েই থাকে তাই ওদেরকে দুনিয়াবি বিষয়ের কোন বই দেওয়াটাই ভাল। যদি এই চিন্তা থেকে বইগুলো দেওয়া হয়ে থাকে তাহলে সেটাও ভুল সিদ্ধান্ত। এই হাফেজরা সারাদিন কোরান নিয়ে থাকতে পারে এটা সত্য। কিন্ত তারা কোরান বুঝে না বললেই চলে।

তারা তোতাপাখির মত কোরান আউড়াতেই পারে। খুব কম হাফেজই আছেন যিনি এই বয়সে কোরানকে বোঝার মত যোগ্যতা রাখে। তাই কোরানকে আরো ভালোভাবে যেন হাফেজদের মধ্যে বোঝার যোগ্যতা তৈরি হয় সে ব্যাপারে উপকারী কোন বই কিংবা তাফসীর দেওয়াটাই বেটার ছিল। সেক্ষেত্রে তাকী উসমানী দামাত বারাকাতুহুম এর তাওযীহুল কুরআন হতে পারত ফার্স্ট চয়েজ। অতদূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই , খোদ সরকারি প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশনেরই অনেক তাফসীর আছে যেগুলো হাদিয়া দেওয়া যেত। তাফসীরে উসমানী এক্ষেত্রে হতে পারত অন্যতম ভালো একটা চয়েজ। এছাড়া হাদিসের বইও দিতে পারত।

কিন্ত তার বদলে অন্যান্য যে বইগুলো দেওয়া হল সেগুলোর সাথে হারারির নেক্সাস এটা অনেকটা বিষ দেওয়ার মত। এই বইটি কোনভাবেই মুমিন শিশুদের পড়ার উপযুক্ত বই নয়। কেননা হারারির সর্বচ্চ চেষ্টা থাকে ধর্ম এবং ধর্মীয় বইকে মিথ হিসেবে দেখাবার। হারারি মানুষের জীবনকে শুরুই করে প্রস্তর যুগ থেকে। এই বইগুলোকে নামেধামে বিজ্ঞানের বই মনে হলেও আদৌ এগুলো কোন বিজ্ঞানের বই না। বরং এগুলো হল নির্দিষ্ট দর্শনের বই যা ধর্মকে অস্বীকার করে তুলে।

— সওয়াবুল্লাহ হক

একটিভিস্ট, ওয়াইল্ডলাইফ থিংকার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

10 − 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য