Saturday, August 22, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকপশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ বন্ধে দখলদার ইসরাইলকে আহ্বান যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স...

পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ বন্ধে দখলদার ইসরাইলকে আহ্বান যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স ও জার্মানির

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ই-ওয়ান বসতি প্রকল্পের জন্য নির্মাণ দরপত্র প্রকাশের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স ও জার্মানি। একই সঙ্গে এই পরিকল্পনা অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করতে দখলদার অবৈধরাষ্ট্র ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশগুলো।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চার দেশের সরকার এক যৌথ বিবৃতিতে এ আহ্বান জানায়।

বিবৃতিতে ই-ওয়ান বসতি সম্প্রসারণকে “অগ্রহণযোগ্য” উল্লেখ করে বলা হয়, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম তীরকে বিভক্ত করে দেবে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ভৌগোলিক সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর ফলে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাও দুর্বল হয়ে পড়বে।

চার দেশ জানায়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের বিরোধিতা করে আসছে এবং এ বিষয়ে প্রকাশ্যে ও ব্যক্তিগতভাবে বারবার ইসরাইলের কাছে উদ্বেগ জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “আন্তর্জাতিক আইন স্পষ্ট। পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি অবৈধ।” জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদও এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে বলে উল্লেখ করে দেশগুলো।

পশ্চিম তীরের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানানো হয় বিবৃতিতে। সেখানে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে বসতি স্থাপনকারীদের “নজিরবিহীন মাত্রার সহিংসতা” এবং ফিলিস্তিনি অর্থনীতির ওপর গুরুতর বিধিনিষেধের কথা তুলে ধরা হয়।

চার দেশ ইসরাইলকে অবিলম্বে এই পরিকল্পনা প্রত্যাহার এবং পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এসব পদক্ষেপ শুধু শান্তির সম্ভাবনাকেই দূরে ঠেলে দেবে না, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের অবস্থানও আরও দুর্বল করবে।

একই সঙ্গে ই-ওয়ান প্রকল্পের নির্মাণ দরপত্রে অংশ না নিতে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে সম্ভাব্য আইনি ও সুনামগত পরিণতি বিবেচনায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলা হয়, এতে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘনে জড়িত হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

বিবৃতির শেষাংশে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের ভিত্তিতে একটি বিস্তৃত, ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতি যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স ও জার্মানির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

Sourceinsaf24

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

4 × 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য