Saturday, October 24, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে ও পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরটঙ্গীতে ৭ বছর বয়সী শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ...

টঙ্গীতে ৭ বছর বয়সী শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গণধোলাইয়ের পর মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ গ্রেপ্তার

গাজীপুরের টঙ্গী মধ্য আউচপাড়াস্থ ‘ক্বরীউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র উপাধ্যক্ষ মুসলেউদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ নীরবতা ও চরম আতঙ্কের পর ঘটনাটি জনসম্মুক্ষে আসলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী এবং ক্ষুব্ধ হয়ে সেই শিক্ষককে গণধোলাই দেয়।পরবর্তীতে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে । 

পুলিশ ও ঘটনার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২০ অক্টোবর) মাদ্রাসার অভ্যন্তরেই ওই অবুঝ শিশুর ওপর অশালীন আচরণ ও যৌন নিপীড়ন চালান উপাধ্যক্ষ মুসলেউদ্দিন। বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে শিশুটি এবং ভয়ে টানা তিন দিন মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দেয়। সন্তানের অস্বাভাবিক আচরণে সন্দেহ হলে স্বজনদের দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে কেঁদে কেঁদে সেই শারীরিক নির্যাতনের বিবরণ তুলে ধরে ভুক্তভোগী কন্যা।

ঘটনা জানার পর বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে শিশুটির বাবা সরাসরি মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে জবাবদিহি চান। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই আশপাশের উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে অভিযুক্ত উপাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে জনরোষ থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, প্রাথমিক জেরার মুখে নিজের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চান ওই শিক্ষক।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন জানান, গণধোলাইয়ের শিকার শিক্ষককে উদ্ধারের পর গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শিশুর বাবার দায়ের করা নিয়মিত মামলায় বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে, ঘটনার পর পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের আবহ তৈরি করা হয়েছে। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ বারীজুল আলমগীর হোসেনের দাবি, এক অভিভাবকের নেতৃত্বে দুষ্কৃতকারীরা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ভাঙচুর, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রহার ও নগদ ১৭ লাখ টাকা লুটপাট করেছে যদিও স্বতন্ত্র অনুসন্ধানে এর কোনো সত্যতা মেলেনি।

 উল্টো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামলার ভিডিও ছড়িয়ে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পুরো বিষয়টিকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে চালিয়ে দিয়ে শিশু নির্যাতনের মতো স্পর্শকাতর অপরাধকে ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

সূত্রঃ প্রথম আলো 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

5 × 1 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য