Tuesday, June 30, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআরবি দোভাষীর দায়িত্বে ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী

আরবি দোভাষীর দায়িত্বে ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক সংস্থার (ইউএনওডিসি) আন্তর্জাতিক বৈঠকে দোভাষীর দায়িত্ব পালনে তুরস্ক গেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষক মেহেদী হাসান ও শিক্ষার্থী ফারুক আজম। গত ১৯-২১ সেপ্টেম্বর ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ ও লিবিয়া সরকারের মধ্যে অনুষ্ঠিত ‘মানবপাচার ও অভিবাসীদের চোরাচালান বিষয়ক তথ্য আদান-প্রদান ও বিচার বিভাগীয় সহযোগিতা’ বিষয়ক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে আরবি থেকে বাংলা ও বাংলা থেকে আরবিতে দোভাষীর দায়িত্ব পালন করেন তাঁরা। তিন দিনব্যাপী এ বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অংশ নেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পুলিশের ১০ দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।

আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ ও লিবিয়া সরকারের কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ইন্টারপ্রেটার বা দোভাষীর দায়িত্ব পালন আমার জন্য সত্যিই দারুণ এক অভিজ্ঞতা।

এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরবি ভাষার গুরুত্ব সবার সমানে দৃশ্যমান। কূটনীতি, অর্থনীতি, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাসহ বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এ ভাষার আবশ্যিকতা চিরন্তন। ’
আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ফারুক আজম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহুল প্রচলিত ভাষাগুলোর অন্যতম আরবি ভাষা। বিশ্বের ৪২২ মিলিয়নের বেশি মানুষ এই ভাষায় কথা বলে। তা ছাড়া বিভিন্ন মুসলিম দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী আরবি ভাষা চর্চা করে। তাই নিজ দেশের প্রতিনিধি হিসেবে দ্বিপক্ষীয় এ বৈঠকে দোভাষীর ভূমিকা পালন আমার জন্য সত্যিই অন্য রকম অনুভূতি তৈরি করেছে। ’

বৈঠকটি বাংলাদেশ ও লিবিয়া সরকারের মধ্যে অংশীদারি তৈরি ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের মধ্যে মানবপাচার প্রতিরোধে পারস্পরিক সহযোগিতার প্ল্যাটফরম হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটি উত্তর আফ্রিকার সক্রিয় অপরাধী গোষ্ঠী ও লিবিয়ার অভিবাসীদের চোরাচালান ও মানবপাচার চক্রের মূলোৎপাটনে বৈশ্বিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বাংলাদেশেও কাজ করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

20 + seven =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য