Tuesday, August 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকইরানের সস্তা ড্রোনের কাছে ফুরিয়ে গেল আমেরিকার দামি ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ, ইরান যুদ্ধ...

ইরানের সস্তা ড্রোনের কাছে ফুরিয়ে গেল আমেরিকার দামি ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ, ইরান যুদ্ধ থেকে ‘সম্মানজনক প্রস্থানের পথ’ খুঁজছেন ট্রাম্পের শীর্ষ জেনারেল

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল এবং এর ভবিষ্যৎ পরিণিতি নিয়ে সিএনএনের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে নতুন কিছু তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে চলমান এই যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এখন একটি সম্মানজনক প্রস্থানের পথ খোঁজা প্রয়োজন বলে মনে করছেন জয়েন্ট চিফস চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। কেবল বিমান হামলার ওপর ভরসা করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব এবং সংঘাত আরও বাড়ালে পরিস্থিতি হিতে বিপরীত হতে পারে বলে তিনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন।

ইরানে হামলা শুরুর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও সংঘাত থামেনি। ট্রাম্প প্রশাসন ও শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, কেবল বিমান হামলা চালিয়ে তেহরানকে চুক্তিতে বাধ্য করা সম্ভব নয়। গত মাসের শেষ দিকে আইনপ্রণেতাদের সামনে কেইন নিজেও স্বীকার করেছেন যে বিমান হামলার নির্দিষ্ট কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এর পাশাপাশি অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত বিপজ্জনকভাবে কমে যাওয়ায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদেশগুলোও ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা এবং নিজেদের জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংসের বড় শঙ্কার কথা ট্রাম্প প্রশাসনকে জানিয়েছে।

ট্রাম্পের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই সামরিক বিকল্পগুলোর ঝুঁকি ও অস্ত্র সংকটের কথা প্রেসিডেন্টের সামনে তুলে ধরছেন কেইন। হোয়াইট হাউসের বৈঠকে তিনি জানিয়েছেন যে ট্রাম্প বড় অভিযান চালাতে চাইলে মার্কিন বাহিনী বড় ক্ষতি সাধনে সক্ষম, তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি আকাশপথের সীমিত সক্ষমতার বিষয়টি ভালোভাবেই অনুধাবন করছেন।

ইরানকে চূড়ান্তভাবে পরাস্ত করতে হলে বড় ধরনের স্থল অভিযানের প্রয়োজন, যা হাজার হাজার মার্কিন সেনার জীবন বিপন্ন করতে পারে। প্রশাসনের ভেতর বা বাইরে কেউই এই মুহূর্তে এমন ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপের পক্ষে নন। ফলে সংঘাত না বাড়িয়ে বরং একটি প্রতীকী জয় বা কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে সম্মানজনক প্রস্থান নিশ্চিত করার পথ খুঁজছেন মার্কিন নীতিনির্ধারকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

6 + 16 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য