Tuesday, June 30, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরদেশের আর্থিক খাতে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৬২%

দেশের আর্থিক খাতে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৬২%

গত এক বছরে দেশের আর্থিক খাতে সন্দেহজনক লেনদেন ৬২.৩২ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক বাণিজ্যে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে মূল্য বেশি দেখানো বা ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি অর্থপাচার হচ্ছে।

বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) প্রকাশিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, কোনো কোনো আমদানি পণ্যে ২০ থেকে ২০০ শতাংশ ওভার ইনভয়েসিং হয়েছে। একই সঙ্গে গাড়ি আমদানিতে দাম কম দেখিয়ে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র জি এম আবুল কালাম আজাদ, বিএফআইইউ পরিচালক রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পরিচালক কামাল হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটে আট হাজার ৫৭১টি সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন বা এসটিআর জমা হয়েছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় যা ৬২.৩২ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এমন লেনদেন ও কার্যক্রম হয়েছিল তিন হাজার ৬৭৫টি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৫৭৩টি। তবে সন্দেহজনক এসব লেনদেনে কী পরিমাণ অর্থপাচার হয়েছে, তার কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছে বিআইএফইউ।

বিএফআইইউ জানায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে এমন সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে আট হাজার ৫৭১টি, যা ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় তিন হাজার ২৯১টি বা ৬২.৩২ শতাংশ বেশি। ওই অর্থবছরে এই সংখ্যা ছিল পাঁচ হাজার ২৮০টি। সংস্থাটি জানায়, গত অর্থবছরে মোট আট হাজার ৫৭১টি সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করা হয়েছে। টাকার অঙ্কে এ লেনদেনের পরিমাণ ২১ লাখ ১১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

আর্থিক গোয়েন্দারা বলছেন, আয়ের সঙ্গে সংগতি নেই এমন লেনদেনকে সন্দেহজনক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। চাকরিজীবী কিংবা যেকোনো পেশার মানুষ যদি বেতন কিংবা তাঁর আয়ের চেয়ে অনেক বেশি টাকা ঘুষ-দুর্নীতিসহ নানা উপায়ে আয় করে ব্যাংকে লেনদেন করেন, তখন তাকে অস্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়।

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী, ১০ লাখ টাকা বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জমা বা উত্তোলন করলে তা ক্যাশ ট্রানজেকশন রিপোর্ট বা সিটিআর হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জানাতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

7 − 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য