Thursday, June 4, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরতায়েফের ঐতিহাসিক দুর্গ-রহস্য

তায়েফের ঐতিহাসিক দুর্গ-রহস্য

সৌদি আরবের তায়েফ একটি জনপ্রিয় পর্যটনস্থল। এই শহরের প্রাচীন স্থাপত্য ও দুর্গসমূহের আকর্ষণে বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা এখানে ভ্রমণে আসে। বিভিন্ন ঐতিহাসিক যুগ প্রত্যক্ষকারী এই দুর্গগুলো তায়েফের পর্যটনে এক ভিন্নমাত্রা এনে দিয়েছে।

ইসলামী স্থাপত্যশিল্পের প্রকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে এই দুর্গগুলো আজও টিকে আছে।

প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি এই দুর্গগুলো আবাসিক ভবন হিসেবেও ব্যবহৃত হতো।
ইতিহাসের শিক্ষক সাদ আল-জুদি আরব নিউজকে বলেন, ‘তায়েফের দক্ষিণের এই দুর্গগুলো শহরের বাসিন্দাদের আবাসের জন্যই শুধু নয়; বরং যেকোনো ধরনের আক্রমণ থেকে শহরবাসীকে রক্ষার জন্য নির্মিত হয়েছিল। ’

আল-জুদি বলেন, ‘তায়েফের বাসিন্দারা বিশেষ কৌশলে এই দুর্গগুলো নির্মাণ করে। চারপাশের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে পাথর সংগ্রহ করে তারা এই দুর্গগুলো নির্মাণ করে। ’

তিনি আরো বলেন, ‘দুর্গের নিচে প্রথমে ভারী পাথর এবং তার ওপর এর তুলনায় হালকা পাথর দিয়ে দুর্গগুলো নির্মাণ করা হতো। যার ফলে শত্রুর আক্রমণ প্রতিরোধে দুর্গগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী হতো। ’

ইতিহাস বিশেষজ্ঞ মোনা উসাইরি আরব নিউজকে জানান, দুর্গের অভ্যন্তরে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা ছিল। তীব্র শীত বা প্রচণ্ড গ্রীষ্মে দুর্গের ভারী পাথরের আড়ালে তাপমাত্রার তীব্রতা অনুভব করা যেত না। এ ছাড়া মরুঝড় থেকেও দুর্গগুলো তাদের বাসিন্দাদের রক্ষা করত।

উসাইরি বলেন, ‘তায়েফের এই পাথুরে স্থাপত্য ও তাদের রঙিন নকশাগুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পুরুষরা যখন নির্মাণকাজে ব্যস্ত থাকত, নারীরা দুর্গের ভেতরে ও বাইরে তখন নকশার কাজগুলো করত। দুর্গগুলোর দেয়ালে বিভিন্ন রঙিন নকশা তাদের কারুকর্মেরই প্রতিচ্ছবি। ’

আরব নিউজ ডট পিকে অবলম্বনে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eighteen − seventeen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য