Tuesday, November 28, 2023

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরভূমি দিবসে ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ : এখনো থামেনি ইসরাইলি ভূমিদস্যুতা

ভূমি দিবসে ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভ : এখনো থামেনি ইসরাইলি ভূমিদস্যুতা

ভূমি দিবস উপলক্ষে হাজার-হাজার ফিলিস্তিনি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও ইসরাইলের অভ্যন্তরে বিক্ষোভ করেছে। মঙ্গলবার ভূমি দিবসের ৪৫তম বার্ষিকীর স্মরণে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

ইসরাইলের অভ্যন্তরে বসবাস করা ফিলিস্তিনিরা দেশটির ২০ শতাংশ জনগণ। এ ফিলিস্তিনিরা ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত ইসরাইলের নিরাপত্তা বাহিনীর সামরিক আইনের মধ্যে ছিলেন। তারা ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদের চেতনার কথা বলা জন্য কারফিউ ও গ্রেফতারসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি ভোগ করেছিলেন।

এ মঙ্গলবারের ভূমি দিবসে ফিলিস্তিনিরা ১৯৭৬ সালে নিহতদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে এ বিক্ষোভের সময় পশ্চিম তীরের বিভিন্ন শহর থেকে ১০ ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতার করে ইসরাইলি সৈন্যরা। তাদেরকে রামাল্লাহ, হেবরন, জেনিন, সালফিট, নিলিন, নাবলুস ও সেবাসটিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়।

২০১৮ সালে গাজা উপত্যকায় ভূমি দিবসে একটি লং মার্চ বা দীর্ঘ পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এ দীর্ঘ পদযাত্রার মূল লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের তাদের নিজেদের পরিবারের শহর ও ভূমিতে প্রত্যাবর্তণ। এই ভূমি থেকে ১৯৪৮ সালে তাদেরকে জোর করে উচ্ছেদ করেছিল ইসরাইলি সৈন্যরা। বছরজুড়ে চলা এ দীর্ঘ পদযাত্রার সময় ইসরাইলি বাহিনী বহু ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে। এদের মধ্যে ৪৬ জনই ছিল শিশু।

এখনো থামেনি ইসরাইলি ভূমিদস্যুতা :

নাকাব মরুভূমির অখ্যাত এক গ্রামের একজন মানকাধিক কর্মী সিলিমান আবু জায়েদ। এ মরুভূমিটি নিগেভ নামেও পরিচিত যা ইসরাইলের দক্ষিণে অবস্থিত। তিনি সংবাদ মাধ্যম মিডল ইস্ট আইকে বলেন, ১৯৪৮ সাল থেকেই ইসরাইল সরকার ফিলিস্তিনি বেদুইনদের ভূমি দখল করে যাচ্ছে।

মানকাধিক কর্মী সিলিমান আবু জায়েদ বলেন, নাকাব মরুভূমিতেও ইসরাইলিরা ভূমি দখল করছে, তারা জলপাই গাছ উপড়ে ফেলছে, যেমনটা তারা করেছিল খিরবিট আল-ওয়াটান নামের গ্রামে।

তিনি আরো বলেন, ২০২০ সালে নাকাব মরুভূমির এ অঞ্চলে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ছয়টি ফিলিস্তিনি গ্রামের ঘর-বাড়ি ধ্বংস করেছে। তারা গম ও অন্যান্য শস্য ক্ষেত বিনষ্ট করেছে। শত শত মহিলা ও শিশু ঘর হারিয়েছে। শিশুদের বই, জামা-কাপড় ও খেলনা তাদের বাড়ির ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়েছে।

পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের ফিলিস্তিনি মানবাধিকার কর্মী ইসা আমরো বলেন, ইসরাইলের বর্ণবৈষম্য নীতির অবসান হবে না তত দিন পর্যন্ত যত দিন না ভূমির প্রকৃত মালিরকদের (ফিলিস্তিনিরা) কাছে তাদের জমি ফেরত দেয়া হবে।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

7 + 15 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য