Saturday, June 6, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

HomeUncategorizedআমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই : ট্রাম্প

আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই : ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বিশ্বজুড়ে সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র বাধা হলো তার ‘নৈতিকতা’। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।

ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এক আকস্মিক সামরিক অভিযান চালানোর কয়েক দিন পরই তিনি এই মন্তব্য করলেন।

একইসাথে তিনি আরো বেশ কয়েকটি দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলসহ গ্রিনল্যান্ডকেও হুমকির মুখে রেখেছেন।

বিশ্বজুড়ে তার ক্ষমতার কোনো সীমা আছে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, একটি বিষয় আছে। আমার নিজের নৈতিকতা। আমার নিজের চিন্তা। এটিই একমাত্র বিষয়, যা আমাকে থামাতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই। আমি মানুষকে আঘাত করতে চাই না।’

তবে পরক্ষণেই রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট বলেন, তাকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলতে হয়। তবে সেটি নির্ভর করে ‘আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা কী, তার ওপর।’

যুদ্ধাপরাধের বিচারকারী ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত’ (আইসিসি)-এর সদস্য নয় যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া তারা বারবার জাতিসঙ্ঘের শীর্ষ আদালত ‘আন্তর্জাতিক বিচার আদালত’ (আইসিজে)-এর রায়ও প্রত্যাখ্যান করেছে।

ট্রাম্প নিজেও দেশের অভ্যন্তরীণ আইনের মারপ্যাঁচে পড়েছেন। তিনি দুইবার অভিশংসিত হন এবং ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেয়ার ষড়যন্ত্রসহ বেশ কিছু ফেডারেল অভিযোগের সম্মুখীন হন। তবে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সেই অভিযোগগুলো তুলে নেয়া হয়।

নিজেকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দাবি করে নোবেল পুরস্কারের প্রত্যাশা করলেও, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ট্রাম্প বেশ কিছু সামরিক অভিযান চালান।

গত জুনে ট্রাম্প ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে হামলা চালানোর নির্দেশ দেন।

গত এক বছরে তিনি ইরাক, নাইজেরিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন ও সর্বশেষ ভেনেজুয়েলায় হামলা করেন।

মাদুরোকে বন্দী করার পর থেকে ট্রাম্প আরো সাহসী হয়ে ওঠেন। তিনি কলম্বিয়াসহ আরো বেশ কিছু দেশ, এমনকি ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্র ডেনমার্কের শাসনাধীন গ্রিনল্যান্ড নিয়েও হুমকি দেন।

ন্যাটো সামরিক জোট রক্ষা করা, নাকি গ্রিনল্যান্ড দখল, কোনটি তার অগ্রাধিকার— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প টাইমসকে বলেন, ‘এ নিয়ে হয়তো সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

কংগ্রেসের কিছু সদস্য, এমনকি কয়েকজন রিপাবলিকানও এখন ট্রাম্পের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন।

বৃহস্পতিবার মার্কিন সিনেট ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্টের সামরিক পদক্ষেপ সীমিত করার একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। তবে এটি পাস হয়ে ট্রাম্পের কাছে গেলেও, তিনি সম্ভবত তাতে ভেটো দেবেন।

আবাসন ব্যবসায়ী হিসেবে বিপুল সম্পদের মালিক ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড প্রসঙ্গে বলেন, ‘এটি (গ্রিনল্যান্ড দখল) আমার কাছে সাফল্যের জন্য মানসিকভাবে প্রয়োজন বলে মনে হয়।’

এদিকে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর তার পরিবারের সদস্যদের বিদেশে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, এতে তার কোনো সমস্যা নেই।

তিনি বলেন, ‘প্রথম মেয়াদে আমি তাদের ব্যবসায় বাধা দিয়েছিলাম, কিন্তু এর জন্য কোনো স্বীকৃতি পাইনি। আমি দেখলাম যে কেউ এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না, আর আমার এটা করার (পারিবারিক ব্যবসা) অনুমতিও আছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

three × three =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য