Saturday, July 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরকসবায় দৃষ্টিনন্দন মিনার মসজিদ

কসবায় দৃষ্টিনন্দন মিনার মসজিদ

বাদৈর পূর্বপাড়া জামে মসজিদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার একটি অপূর্ব মসজিদ। মসজিদের আধুনিক কাঠামো ও অপরূপ কারুকাজ দৃষ্টি আকর্ষণ করে মুসল্লি ও সাধারণ পথিকদের। তিনলাখপীর থেকে চারগাছ রোডে রাস্তার পাশেই মসজিদটির অবস্থান।

বাদৈর পূর্বপাড়ার জমাদ্দার বাড়ির সর্বশ্রেণির মুসল্লিদের সম্মিলিত প্রয়াসে নির্মিত হয়েছে মসজিদটি।
আধুনিক এই মসজিদের রয়েছে ১০ তলা বিশিষ্ট একটি মিনার। রাতের আঁধারে যখন আলোকসজ্জা করা হয়, তখন মসজিদটি আরো অপূর্ব হয়ে ওঠে। যেন গ্রামবাংলার বুকে জ্বলজ্বল করছে একটুকরা হীরা। প্রায় আট কিলোমিটার দূর থেকে দেখা যায় মিনারের আলো। বড় মিনারটি ছাড়াও মসজিদের আরো পাঁচটি ছোট মিনার আছে। মসজিদের আধুনিক কাঠামো নির্মাণ বিষয়ে জানতে চাইলে মসজিদ কমিটির সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সামসুল হক বাবুল বলেন, ২০১৮ সালের দিকে সফিকুল ইসলাম বাদৈর পূর্বপাড়া জামে মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব লাভ করেন। তিনিই শত বছরের পুরনো জীর্ণশীর্ণ মসজিদটি ভেঙে নতুন মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেন এবং অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শক্রমে মসজিদের নকশা তৈরি করেন। এরপর জমাদ্দার বাড়ির প্রবাসী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ গ্রামবাসীর সহায়তায় মাত্র চার বছরে মসজিদটি বর্তমান পর্যায়ে পৌঁছেছে। এতে খরচ হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা। মসজিদের আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি শুধু উদ্যোগ নিয়েছি, বিশুদ্ধ নিয়তে চেষ্টা করেছি এবং বড় পরিকল্পনা করেছি। মূল কৃতিত্ব জমাদ্দার বাড়ির সবার, যারা মন খুলে অনুদান দিয়েছেন। বিশেষ করে প্রবাসীদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আমি সবাইকে অনেক ধন্যবাদ জানাই আমার পাশে থেকে সহযোগিতা করার জন্য। শোকরিয়া মহান আল্লাহর প্রতি, যিনি আমাদের ভালো কাজ করার তাওফিক দিয়েছেন। ’

কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মসজিদ নির্মাণের পর এবার একটি কবরস্থানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁরা আশা করছেন, সবার সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে একটি মডেল কবরস্থান প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

five × three =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য