Tuesday, June 30, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeকুরআন ও হাদীসপ্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই!!

প্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই!!

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَنِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: مَنْ عَلِمَ أَنِّي ذُو قُدْرَةٍ عَلَى مَغْفِرَةِ الذُّنُوبِ غَفَرْتُ لَهُ وَلَا أُبَالِي مَا لم تشرك بِي شَيْئا . رَوَاهُ فِي شرح السّنة

’আবদুল্লাহ ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, যে জানে আমি গুনাহ মাফ করে দেয়ার মালিক। আমি তাকে মাফ করে দেবো এবং আমি কারো পরোয়া করি না যতক্ষণ পর্যন্ত সে আমার সাথে কাউকে শারীক না করবে। (শারহুস্ সুন্নাহ)[1]

[1] হাসান : মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ১১৬১৫, মুসতাদারাক লিল হাকিম ৭৬৭৬, শারহুস্ সুন্নাহ ৪১৯১, সহীহ আল জামি‘ ৪৩৩০। তবে হাকিম-এর সানাদটি দুর্বল যেমনটি ইমাম যাহাবী (রহ্ঃ) বলেছেন।

ব্যাখ্যা: (عَلٰى مَغْفِرَةِ الذُّنُوبِ غَفَرْتُ لَه) ত্বীবী বলেন, এ হাদীসটি ঐ ব্যাপারে প্রমাণ বহন করছে যে, এ ব্যাপারে বান্দার স্বীকৃতি গুনাহ মাফের কারণ। আর তা আল্লাহর (أنا عند ظن عبدى بى) অর্থাৎ- ‘‘আমি আমার প্রতি আমার বান্দার ধারণার কাছে থাকি।’’ এ বাণীর দৃষ্টান্ত বা নযীর।

এ কথার বাহ্যিক দিক হল নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন যদিও সে ক্ষমা প্রার্থনা না করে থাকে। একমতে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি জানবে আমি গুনাহসমূহ ক্ষমা করার ব্যাপারে শক্তিশালী, অর্থাৎ- সে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব।

‘উবায়দুল্লাহ মুবারকপূরী বলেন, ইমাম শাওকানী (রহঃ) প্রথম মতের দিকে ঝুঁকেছেন যেমনটি এর উপর প্রমাণ বহন করে ‘তুহফাতুয্ যাকিরীন’-এ যা আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। বিগত হাদীস ব্যাখ্যার সময় শাওকানীর উক্তি। যেমন তিনি বলেন, বরং এমন হাদীস বর্ণিত হয়েছে যা ঐ কথার উপর প্রমাণ বহন করে যে, বান্দা যখন গুনাহ করবে অতঃপর জানবে যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ যদি তাকে শাস্তি দেয়ার ইচ্ছা করেন তাহলে তাকে শাস্তি দিবেন পক্ষান্তরে যদি চান তাকে ক্ষমা করতে তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। আর শুধু তার এটুকু বিশ্বাস আল্লাহর তরফ থেকে অনুগ্রহ, দয়া স্বরূপ ক্ষমা প্রদর্শনকে আবশ্যক করে দিবে যেমন ত্ববারানীর আওসাত গ্রন্থে আনাস (রাঃ)-এর হাদীসে আছে। নিশ্চয়ই তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি গুনাহ করল অতঃপর জানল আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিতে পারেন আবার ইচ্ছা করলে ক্ষমাও করতে পারেন তাহলে আল্লাহর ওপর হক হয়ে যায় তাকে ক্ষমা করা। এর সানাদে জাবির বিন মারফূক আল জাদ্দী আছে সে দুর্বল।

(وَلَا أُبَالِىْ) ‘আলকামাহ্ বলেন, অর্থাৎ- তোমার পাপের কারণে। কেননা আল্লাহ সুবহানাহূ ওয়াতা‘আলা তিনি যা করেন সে ক্ষেত্রে তার কোন বাধাদানকারী নেই, তার ফায়সালার কোন সমালোচনাকারী নেই, তার দানের কোন বাধাদানকারী নেই।

(مَا لَمْ يُشْرِكْ بِىْ شَيْئًا) কেননা শির্কের গুনাহ তাওবাহ্ এবং ঈমান গ্রহণ ছাড়া ক্ষমা করা হবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

five × two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য