Friday, June 5, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরমধ্যপ্রাচ্যে আরো যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে ব্রিটেন

মধ্যপ্রাচ্যে আরো যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে ব্রিটেন

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সাথে ইসরাইলের যুদ্ধে উত্তপ্ত গোটা মধ্যপ্রাচ্য। টানা দেড় মাসের যুদ্ধে অবরুদ্ধ গাজায় প্রাণহানির সংখ্যা ১৫ হাজার ছাড়িয়েছে আগেই। গাজায় যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরপরই লড়াই নতুন করে শুরু হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে আরো একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে ব্রিটেন। এই যুদ্ধজাহাজটি উপসাগরে আগে থেকে মোতায়েন থাকা অন্য একটি যুদ্ধজাহাজের সাথে যোগ দেবে।

এইচএমএস ডায়মন্ড নামের টাইপ ৪৫ ডেস্ট্রয়ার এই যুদ্ধজাহাজটি সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা ফ্রিগেট এইচএমএস ল্যাঙ্কাস্টারের সাথে যোগ দেবে।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্রান্ট শ্যাপস বলেছেন, ‘এই অঞ্চলে আমাদের উপস্থিতি জোরদার করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ’।

এছাড়াও ব্রিটেনের নেতৃত্বে একটি টাস্কফোর্স শিগগিরই ইংলিশ চ্যানেল থেকে বাল্টিক সাগরে টহল শুরু করবে। মূলত ইউরোপের সমুদ্রের তলদেশের থাকা গুরুত্বপূর্ণ তারগুলো রক্ষা করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। এইচএমএস ল্যাঙ্কাস্টার গত বছর থেকে উপসাগরে অবস্থান করছে। এটি সেখানে তিনটি রয়্যাল নেভি মাইনহান্টারের পাশাপাশি অবস্থান করছে।

শ্যাপস বলেছেন, সেখানে একটি ডেস্ট্রয়ার যুক্ত করা হলে তা বিপজ্জনক সময়ে এই অঞ্চলে তাদের প্রতিরক্ষা আরো শক্তিশালী করবে।5 শ্যাপস বলেন, ‘আরো অস্থিতিশীল এবং প্রতিদ্বদ্বিতাপূর্ণ বিশ্ব থেকে ব্রিটেন এবং আমাদের স্বার্থকে নিরাপদ রাখতে এই অঞ্চলে ব্রিটেন আমাদের উপস্থিতি জোরদার করছে এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ।’

বিশেষ করে ব্রিটেনের এই পদক্ষেপ ইরান এবং তার প্রক্সিদের কাছে স্পষ্ট বার্তা পাঠাবে বলেও দাবি করেন তিনি।

গাজায় ইসরাইলের আগ্রাসনের পর ইতোমধ্যেই লেবাননের হিজবুল্লাহর পাশাপাশি ইয়েমেনের হাউছি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে তার নৌবাহিনীর অবস্থান আরো বাড়িয়ে দেয়। যুদ্ধ শুরুর পর দেশটি সুয়েজের পূর্বে একটি মার্কিন রণতরী পাঠিয়েছে এবং সেইসাথে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে। এছাড়া লোহিত সাগরে অবস্থানরত একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ইতোমধ্যেই কয়েক দফায় ইয়েমেনের হাউছি বিদ্রোহীদের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন আটকে দিয়েছে। হুথিরা এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে।

ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, এইচএমএস ডায়মন্ড সমুদ্রে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। কারণ বাব-এল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ যাতায়াত করে এবং এর দ্বিগুণ সংখ্যক জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে। এর আগে গাজায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার সপ্তাহখানেকের মধ্যে ইসরাইলের কাছে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে রাজকীয় নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাজ্য।

‘নিরাপত্তা বাড়াতে’ এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে সেসময় জানিয়েছিল দেশটি। গত অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দফতর ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট জানায়, নিরাপত্তা জোরদার করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ব্রিটেন পূর্ব ভূমধ্যসাগরে রয়্যাল নেভির দুটি জাহাজ এবং নজরদারি বিমান পাঠাবে।

সূত্র : বিবিসি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one × 3 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য