Tuesday, June 30, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবর৫০ বছরের জমানো বই দান করলেন বৃদ্ধ

৫০ বছরের জমানো বই দান করলেন বৃদ্ধ

প্রত্যন্ত গ্রামের বইপ্রেমী হামদুল্লাহ আবদুল হাফিজ। ৫০ বছর ধরে বই সংগ্রহ করেন ৮০ বছর বয়সী এ বৃদ্ধ। অর্ধশতাব্দীকালে তাঁর ঘরে জমা হয় ১৫ হাজারের বেশি বই। মিসরের দাকহালিয়া অঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রামে তাঁর বসবাস।

কিন্তু জীবনের পড়ন্ত বেলায় গ্রামের এক গ্রন্থাগারে দান করে দেন সব বই।  

সংগৃহীত সব বই নিজের কাছেই রেখে দেননি তিনি। বরং পড়ার সুযোগ দিয়েছেন গ্রামের পাঠকদের। তাই নিজের ব্যক্তিগত লাইব্রেরির দরজা সব সময় খোলা রেখেছেন তিনি। পাঠকদের কাছে বই ধার দিয়ে সবার প্রিয়জনে পরিণত হন তিনি। আবার পুরো বই পড়া শেষের পর পর্যালোচনাও করেন তিনি।  

গ্রামের মধ্যে হামদুল্লাহ আবদুল হাফিজের ব্যক্তিগত সংগ্রহ সবচেয়ে সমৃদ্ধ। তাই তাঁর বাড়িতেই বই পড়তে আসেন সবাই। ছোট্ট গ্রামবাসীর কাছে জ্ঞানার্জনের অন্যতম মাধ্যম তিনি। কোরআন, হাদিস, আরবি ভাষা ও সাহিত্যসহ ইসলামের নানা শাখার গুরুত্বপূর্ণ ও দুর্লভ পাণ্ডুলিপি রয়েছে তাঁর সংগ্রহে।  

তাঁর সংগ্রহে থাকা বই নিয়মিত পড়েন স্থানীয় নারী পাঠক রাবাব হামুদা। সমপ্রতি রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘এখানে বইয়ের বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। আমি শায়খের সঙ্গে তাঁর পড়া বই নিয়ে আলোচনা করি। অনেক সময় তাঁর সঙ্গে তাজবিদসহ কোরআন পাঠের চর্চা করি। তা ছাড়া হাদিস, ফিকাহ ও সুন্নাহ নিয়েও আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়। ’ ব্যক্তিগত সংগৃহের বইগুলো এলোমেলোভাবে থাকায় সবাই তা থেকে উপকৃত হতে পারেন না। তাই সব পাঠকের জন্য সহজ করতে বইগুলো সুবিন্যস্ত করার কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, সময়ের সবচেয়ে দামি বন্ধু হলো বই। যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে বই সর্বোত্তম বন্ধু। স্বাধীনভাবে বইয়ের পাতায় বিচরণে সুযোগ পান পাঠকরা। তাই স্মার্টফোনের চেয়ে বই সর্বোত্তম বন্ধু। ’ রয়টার্সকে রাবাব আরো বলেন, ‘মূলত আমাদের গ্রামে কোনো গ্রন্থাগার নেই। ফলে এখানে বইপ্রেমী পাঠক খুবই কম। মহান আল্লাহর কাছে কামনা, তিনি যেন আমাদের একটি স্থানে বইগুলো সংরক্ষণ ও সুবিন্যস্ত গ্রন্থাগার তৈরির ব্যবস্থা করে দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

five × one =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য